এম.জিয়াবুল হক,চকরিয়া :

কক্সবাজরের চকরিয়ায় করোনা সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত ইউনিয়ন পর্যায়ে খাদ্য সহায়তা প্রদান কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচী (ডব্লিউএফপি)’র প্রতিনিধি দল। এসময় তারা সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে সুষ্টুভাবে খাদ্য সহায়তা বিতরণের প্রসংশা করেছেন। বুধবার (১০ জুন) দুপুরে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচী (ডব্রিউএফপি)’র প্রতিনিধি দল চকরিয়া উপজেলার কোনাখালী ইউনিয়নের বিভিন্ন কেন্দ্রে এ খাদ্য সহায়তা বিতরণ পরিদর্শন করেন।

এসময় প্রতিনিধি দলটি খাদ্য সহায়তা বিতরণে যারা কাজ করছেন তাদের এবং এসএআরপিভি’র দক্ষ কর্মীদের কার্যক্রম দেখে সবাইকে ধন্যবাদ জানান। বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচী (ডব্লিউএফপি)’র প্রতিনিধি দলে নেতৃত্ব দেন ডব্লিউএফপি’র নিউট্রেশন বিভাগের প্রোগ্রাম অফিসার মোহাম্মদ আশিক উল্লাহ, প্রোগ্রাম এসিস্টেন্ট মোঃ রাশেদ, এসএআরপিভি’র আঞ্চলিক পরিচালক কাজী মাকসুদুল আলম মুহিত।

কোভিড- ১৯ সংক্রমন প্রতিরোধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ডব্লিউিএফপি কর্তৃক স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য স্থানীয় সরকারকে সম্পৃক্ত করে কক্সবাজার-১ চকরিয়া পেকুয়া আসনের এমপি আলহাজ জাফর আলমের সহযোগিতায় এ কর্মসূচীটি বাস্তবায়ন করছে চকরিয়ার বেসরকারী সংস্থা এসএআরপিভি (সোসাল এ্যাসিস্ট্যান্স এন্ড রিহ্যাবিলিটেশন ফর দি ফিজিক্যালি ভালনারেবল)।

বুধবার সকাল ৯টা থেকে বিকাল পর্যন্ত খুব সুন্দরভাবে সামাজিক দুরত্ব বাজায় রেখে চকরিয়া উপজেলার বিএমচর ইউনিয়নে ৬৭৩ পরিবার, কোনাখালী ইউনিয়নে ৫৮১পরিবার ও পূর্ব বড়ভেওলা ইউনিয়নে ৭০৬ পরিবারের মধ্যে সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

এদিন পরিবার প্রতি ৩০ কেজি করে ভাল মানের চাল ও ৫ কেজি হাই এনার্জি বিস্কুট দেওয়া হয়েছে। এ খাদ্য সহায়তা বিতরণের সময় উপস্থিত ছিলেন, এসএআরপিভি’র সমন্বয়ক ইয়াসমিন সুলতানা, মাহমুদ ইমরান, আকতার কামাল মিরাজ, অনুপ চন্দ্র, রুবি, মো. জিয়া, আবদুল মালেক, মো. রাব্বির হোসেন, পেকুয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহসভাপতি সাংবাদিক জহিরুল ইসলাম, কোনাখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান দিদারুল হক সিকদার, বিএমচর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান বদিউল আলম, পূর্ব বড়ভেওলা ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ারুল আরিফ দুলাল প্রমুখ।

এসএআরপিভি’র আঞ্চলিক পরিচালক কাজী মাকসুদুল আলম মুহিত জানান; এ কর্মসুচীর আওতায় করোনা সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় নিম্ন আয়ের চকরিয়া উপজেলার সাড়ে ১৬ হাজার পরিবারকে বিতরণের মাধ্যমে এ খাদ্য সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

এ কর্মসূচীর আওতায় এসেছে চকরিয়া উপজেলার ১টি পৌরসভা ও ১৮ ইউনিয়নের ১৬ হাজার ৫শত পরিবার। এ কর্মসূচীতে চার মাসে চার কিস্তিতে চকরিয়ার ১৬ হাজার ৫শত পরিবারের প্রতি পরিবার পাবেন ৬০ কেজি ভাল মানের চাল, ৫ কেজি হাই এনার্জি বিস্কুট ও নগদ ৪ হাজার ৫শত টাকা। গত দুইদিনে ৬টি ইউনিয়নে দেওয়া হয়েছে পরিবার প্রতি ৩০ কেজি করে ভাল মানের চাল ও ৫ কেজি হাই এনার্জি বিস্কুট। চকরিয়ায় বিতরণ শেষ হলে একই কর্মসূচী পেকুয়া উপজেলার ৭ ইউনিয়নেও একযোগে শুরু হবে। প্রতিদিন ৩টি ইউনিয়নে এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •