সিবিএন ডেস্ক:
‘রেড জোন’ ঘোষণা করে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে বান্দরবান পৌরসভা, সদর ও রুমা উপজেলায় লকডাউন কার্যকর করা হয়েছে। বুধবার (১০ জুন) দুপুর ১২টা থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত লকডাউন কার্যকর থাকবে বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন।

জেলা প্রশাসন জানায়, রেড জোনের মধ্যে লকডাউনে শুধু জরুরি ওষুধের দোকান খোলা থাকবে এবং পণ্যবাহী গাড়ি চলাচল করতে পারবে। কোনো ধরনের গণপরিবহন চলাচল করতে পারবে না। রেড জোনে কেউ ঢুকতে এবং জোন থেকে বের হতে পারবে না। সপ্তাহে দুদিন রোববার ও বৃহস্পতিবার ব্যাংক খোলা থাকবে ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত। লকডাউন চলাকালে ঘোষণা বাস্তবায়নে মাঠে থাকবে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

এরই মধ্যে বুধবার দুপুর ১২টা থেকে রেড জোন এলাকার জনসাধারণকে ঘরে থাকতে নির্দেশ দিয়েছে পুলিশ। জেলা সদর ও রুমার বিভিন্ন এলাকায় সেনাবাহিনীর টহল জোরদার করা হয়েছে। এর আগে সকাল থেকে যাত্রীবাহী যান চলাচল ও দোকান বন্ধ হয়ে যায়। শুধুমাত্র ওষুধের দোকান খোলা রয়েছে। তবে নিত্যপণ্য বহনকারী যানবাহন রাত ৮টা থেকে থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত চলাচল করতে পারবে।

বান্দরবান জেলা সদরের পুলিশ সার্জেন্ট আশরাফ আলী মোল্লা বলেন, বুধবার দুপুর ১২টা থেকে জেলা সদরের সব দোকানপাট বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। জনসাধারণের চলাচল সীমিত করা হয়েছে।

বান্দরবানের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শামীম হোসেন বলেন, বান্দরবান পৌরসভা, সদর ও রুমা উপজেলা রেড জোন ঘোষণা করে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করে বুধবার থেকে লকডাউন কার্যকর করা হয়েছে। লকডাউন চলাকালে ওষুধের দোকান ছাড়া সবকিছুই বন্ধ থাকবে। সব ধরনের গণপরিবহন বন্ধ থাকবে। শুধু পণ্যবাহী যানবাহন চলাচল করতে পারবে। রেড জোনে কেউই প্রবেশ এবং জোন থেকে বের হতে পারবে না। লকডাউন কার্যকরের আগে মাইকিং করে বিষয়টি জনসাধারণকে জানানো হয়েছে।

প্রসঙ্গত, বান্দরবান সদর উপজেলায় একদিনে আটজনসহ জেলায় এ পর্যন্ত শিশুসহ ৭১ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •