মুহিববুল্লাহ মুহিব, সিবিএন :

জমি সংক্রান্ত বিরোধসহ নানান কারণে চকরিয়ার ঢেমুশিয়ার প্রবীন আওয়ামীলীগ নেতা নুরুল আলমের উপর ক্ষিপ্ত ছিল সদ্য বহিস্কৃত যুবলীগ নেতা আনছুর আলম। সেই বিরোধের প্রতিশোধ নিতেই গত ২৪ মে প্রবীন আ’লীগ নেতা নুরুল আলমকে বিবস্ত্র করে নির্যাতন চালায় সে। পরে ওই সময় ধারণকৃত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দিয়ে আ’লীগ নেতার মানহানির চেষ্টা করেন। কিন্তু তার উল্টো ঘটেছে। যখন বিষয়টি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল তখন নিজেই আত্মগোপন করেন।

বুধবার (১০ জুন) সকালে মহেশখালী-চকরিয়ার সীমান্তবর্তী এলাকা ষাটমারা থেকে আটক হওয়ার পর পুলিশের কাছে এমন স্বীকারোক্তি দিয়েছে যুবলীগ নেতা ও ডাকাত সরদার আনছুর আলম।

তবে বিষয়টি নিয়ে আরও তদন্ত করা হচ্ছে জানিয়ে চকরিয়া-পেকুয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. মতিউল ইসলাম সিবিএনকে বলেন, দুই পক্ষই বিরোধের কথা বলছে। সেও পুর্বে বৃদ্ধের লোকজন আনছুরদের নির্যাতন চালিয়েছে দাবি করে সেই ঘটনার প্রতিশোধ নিতেই এমন ঘটনা ঘটিয়েছে বলে স্বীকার করেছে। তবে বিষয়টি আরও গুরুত্বসহকারে তদন্ত করবে পুলিশ। তার পর তাকে কারাগারে প্রেরণের ব্যবস্থা করা হবে।

তিনি আরও বলেন, তার বিরুদ্ধে আগে কোন মামলা আছে কিনা সেটিও খোঁজে দেখা হচ্ছে। না থাকলে বৃদ্ধ নুরুল আলমের ছেলে বাদী হয়ে করা মামলায় তাকে কারাগারে প্রেরণ করা হবে বলে জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।

প্রসঙ্গত যে, গত ২৪ মে ঢেমুশিয়া বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে ওই ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের প্রবীন আওয়ামীলীগ নেতা নুরুল আলমকে বিবস্ত্র করে নির্যাতন চালায় একই ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি আনছুর আলম। পাশাপাশি নির্যাতনের ঘটনার ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছেড়ে দেয়। বিষয়টি ভাইরাল হওয়ার পর থেকে সারাদেশে আলোচনার ঝড় উঠে। এরপর পুলিশ সংশ্লিষ্ট তিনজনকে আটক করলেও পালিয়ে যায় আনছুর। তাই বিশেষ টিমের মাধ্যমে চকরিয়া থানা পুলিশ আজকে তাকে মহেশখালীর ষাটমারা থেকে আটক করে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •