এম. জিয়াবুল হক, চকরিয়া:

করোনা সংক্রমণ থেকে সর্বসাধারণকে রক্ষাকল্পে ইতোমধ্যে কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের নির্দেশনার সঙ্গে সমন্বয় রেখে চকরিয়া উপজেলা প্রশাসন জরুরী সভার সিদ্বান্তের প্রেক্ষিতে চকরিয়া উপজেলার পৌর এলাকা এবং উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের ২, ৩, ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডকে করোনাভাইরাস সংক্রমণের ‘রেড জোন’ হিসেবে ঘোষণা করেছে।

রবিবার ৭ জুন মধ্যরাত ১২টার পর থেকে চকরিয়া পৌরসভা ও ডুলাহাজারা ইউনিয়নে রেডজোন ঘোষণাকৃত এলাকাসমূহে চকরিয়া উপজেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ইউএনও সৈয়দ সামসুল তাবরীজ এর নেতৃত্বে পুলিশ এবং আলাদাভাবে সেনাবাহিনী সদস্যরা টহল কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন। জনগনকে ঘরে থাকতে অনুরোধ করেছেন।

একইসঙ্গে প্রশাসনের জারিকৃত নির্ধারিত দিনে মুদির দোকান কাচাঁবাজার খোলা রাখতে নির্দেশনা থাকলেও লকডাউন সময়ে অনেকে দোকান খোলা রেখে লুকোচুরি খেলায় মেতে উঠেছে। চকরিয়া থানা সেন্টার এলাকায় একটি খাবার হোটেল বাইর থেকে বন্ধ রেখে ভেতরে ক্রেতা সমাগম করে বেচাবিক্রি করছিলেন। গোপনে বিষয়টি জানতে পেরে মঙ্গলবার (৯জুন) সেখানে অভিযান পরিচালনা করেন চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট সৈয়দ শামসুল তাবরীজ। পরে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ঘটনার সত্যতা পেয়ে তাৎক্ষনিক বিরতি নামের ওই হোটেলটি সিলগালা করে দিয়েছেন।

মঙ্গলবার সকাল এবং বিকালে রেডজোন চিহিৃত চকরিয়া পৌরসভার বিভিন্ন এলাকা এবং ডুলাহাজারা ইউনিয়নে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট সৈয়দ শামসুল তাবরীজ।

ওইসময় সরকারি বিধি নিষেধ অমান্য করে দোকান খোলা রাখার অপরাধে একাধিক দোকানীকে আদালত ১৫ হাজার পাঁচশত টাকা জরিমানা করেন। অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট সৈয়দ শামসুল তাবরীজ। একইসঙ্গে সরকারি বিধিনিষেধ অমান্য করায় পৌরসভায়, টমটম, সিএনজি, অটোরিকশা আটক করা করেন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •