বার্তা পরিবেশক :

কক্সবাজারের চৌফলদন্ডি-মহেশখালী নৌঘাটের দরপত্রের মাধ্যমে ইজারা দিয়েছে জেলা পরিষদ। কিন্তু ডাক পাওয়া ইজারাদার মোহাম্মদ শাহাজাহান সম্পুর্ণ টাকা পরিশোধ করলেও এখনো কাগজেপত্রে বুঝিয়ে দেয়নি পরিষদ। তাই নানানভাবে হয়রানির শিকার হওয়ার অভিযোগ শাহাজাহানের।

প্রায় ১৬ লাখ ৭৫ হাজার টাকায় চলতি বছরের ইজারাদার মোহাম্মদ শাহাজান ঘাট বুঝে না পাওয়ার অভিযোগ করে বলেন,
গত বছর আমি এই খেয়া ঘাটটি উপ ইজারা হিসাবে ঈদগাহ এর ইজারাদার কামাল উদ্দীন থেকে ইজারা নেই। কিন্তু চলতি বছর আমি নিজে সরাসরি জেলা পরিষদের আহবানকৃত দরপত্রের মাধ্যমে ডাক নেওয়ায় উক্ত কামাল উদ্দীন, স্থানীয় দক্ষিণ পাড়ার ২ নং ওয়ার্ড এর নুরুল আলম,গিয়াস উদ্দীন ও ১ নং ওয়ার্ড এর ওসাসিং মেম্বার সহ আমার বিরুদ্ধে উঠে পড়ে লাগে।প্রাক্তন ইজারাদার কামাল উদ্দীন সরাসরি আমার কাছ থেকে দুই লক্ষ টাকা দাবি করে, না দিলে আমাকে হয়রানি মুলক মামলা সহ বিভিন্ন রকমের হুমকি ধমকি দিয়ে দিয়ে আসতেছে।সম্প্রতি মাননীয় জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মহোদয় সকল প্রকার খেয়া ঘাট লকডাউন করার পর আমি আমার পরিচালিত চৌফলদন্ডী মহেশখালী খেয়া ঘাটের সার্ভিস বোট বন্ধ করে দিই। কিন্তু মহেশখালী থেকে কিছু মাছ ধরার নৌকা/বোট অতিরিক্ত টাকার বিনিময়ে যাত্রী পারাপার করে। বিষয়টি আমি স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার ওসাসিং রাখাইন কে অবহিত করলে ও তিনি তার ব্যাপারে কোন পদক্ষেপ না নিয়ে উল্টো আমার প্রতিপক্ষের সাথে তাল মিলিয়ে স্থানীয় প্রশাসন কে দিয়ে আমাকে হয়রানি করে।

এবিষয়ে জানতে চাইলে কক্সবাজার জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী হিল্লোল বিশ্বাস সিবিএনকে বলেন, মধ্য থেকে বিষয়গুলো নিয়ে ঝামেলা ছিল। এখন পর্যন্ত ১৬-১৭ টি জেলা পরিষদের আওতাধিন যে খেয়া ঘাট রয়েছে সবগুলোই বুঝিয়ে দেয়া হয়নি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে বুঝিয়ে দেয়া হবে।

উল্লেখ্য যে, চলতি বছরের ৩০ জানুয়ারী জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী হিল্লোল বিশ্বাস কর্তৃক দরপত্র আহবান করা হয়। যা ৬ ফেব্রুয়ারী পত্রিকার মাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে প্রকাশ করা হয়। এরপর ১৭ ফেব্রুয়ারী টেন্ডার ড্রপ করা হয়। একই দিন বিকেলে ১৬ লাখ ৭৫ টাকায় ঘাট ইজারাদার হিসেবে মোহাম্মদ শাহাজাহানকে ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ। কিন্তু এখন পর্যন্ত কাগজ-কলমে ঘাট বুঝে পাননি তিনি।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •