সংবাদ বিজ্ঞপ্তিঃ
‘তরুণ প্রজন্মকে তামাকের নেশা থেকে দূরে রাখতে সিগারেট ও তামাকপন্যকে শিশু ও যুবদের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে নিয়ে যেতে হবে। আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, তামাকমুক্ত বাংলাদেশ অর্জনে এবং শিশু ও যুবদের তামাকের মরণছোবল থেকে রক্ষা করতে তামাকপন্যের কর বৃদ্ধি করুন।’
শনিবার (৬ জুন, ২০২০) বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (এনজিও) ইপসার সাথে মতবিনিময়ে এসব কথা বলেন কক্সবাজার ২ আসনের সংসদ সদস্য জনাব আশেক উল্লাহ রফিক। তিনি বলেন, বাংলাদেশে তামাকপণ্য অত্যন্ত সস্তা। আমাদের পার্শবর্তী দেশ বা বিশ্বের অন্য অনেক দেশ তামাকের উপর উচ্চহারে করারোপ করে যেভাবে এটিকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছে, সে তুলনায় আমাদের দেশে তামাকপন্যের দাম কম। ফলে তামাক গ্রহণের প্রবণতাটাও এখানে বেশি। সহজলভ্যতার কারণে তরুন ও যুবসমাজ তামাকের দিকে ঝুঁকে পড়ছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুত ২০৪০ সালের মধ্যে তামাকমুক্ত বাংলাদেশ অর্জন করতে এবং তরুণ সমাজকে তামাকমুক্ত রাখার জন্য সকল তামাকপণ্যের কর ও দাম বাড়িয়ে তরুণদের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে নিয়ে যেতে হবে। একইসাথে তরুনদের তামাক থেকে দূরে রাখতে স্কুলপর্যায় থেকে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।
তিনি আরো বলেন, ধূমপান এমনি একটি ক্ষতিকর পন্য যে ধূমপানকে বিষপান বলা হয়। ধূমপায়ীদের ফুসফুস অধূমপায়ীদের তুলনায় এমনিতেই দুর্বল থাকে। দুর্বল ফুসফুসে করোনা ভাইরাস খুব সহজেই আক্রমণ চালায়। ফলে ধূমপায়ীদের এই ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি। দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় তাই সরকারকে এখনি তামাকপন্যের বিক্রয় সীমিত করে, তামাকপন্যের কর বাড়িয়ে তামাক নিয়ন্ত্রণে জোরালে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •