আবুল বশর পারভেজ, মহেশখালী:

মহেশখালীর হোয়ানকের খোরসাপাড়া গ্রামে জনৈক সাইফুল ইসলাম সাইফ নামের এক যুবকের কারনে এক গৃহবধুর সংসার ভাঙার উপক্রম হয়েছে । এই ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছে হোয়ানক খোরসা পাড়া গ্রামের ফজল করিমের মেয়ে জিল্লুর রহমানের স্ত্রী ফরিদা ইয়াছমিন পুতুল।

মহেশখালী থানায় লিখিত অভিযোগ সুত্রে ফরিদা ইয়াসমিন পুতুলের দাবী করে বলেন, একই ইউনিয়নের পূর্ব ফকিরখালী পাড়া গ্রামের নুরুল ইসলাম বৈদ্যর পুত্র সাইফুল ইসলাম সাইফ এর সাথে বিয়ের প্রস্তাব ছিল তার। কিন্তু পারিবারিক বনিবনা না হলে আমাকে একই ইউনিয়নের খোরশাপাড়া গ্রামের জিল্লুর রহমানের সাথে বিয়ে দেয় পরিবার। আমার সংসারে একটি এক বছরের মেয়ে সন্তান আছে।

তিনি আরো বলেন, তাদের দাম্পন্ত্য ছিল অনেক সুখের।  কিন্তু সাইফুলের কারণে সংসারটি আজ ভাঙ্গার পথে।

সাইফুল  জিল্লুর রহমানের স্ত্রী পুতুল জানায়, সাইফুল বিভিন্ন সময় তার শ্বশুর বাড়ীর লোকজনের মোবাইল ফোনে নানান অশালিন ম্যাসেজ পাঠায়। এ বিষয় নিয়ে পুতুল আর জিল্লুর এর মধ্যে চরম দূরত্ব সৃষ্টি হয়। তৈরি  হয় পারিবারিক কলহ। এ কারণে কয়েক মাস পুতুল তার পিতার বাড়ীতে অবস্থান করে।

এদিকে গত ২৮মে পুতুল তার মা, বোন ও খালাসহ ফকিরখালীস্থ বড় বোনের বাড়ীতে বেড়াতে যায়। রাত্রে ফেরার পথে খোরসাপাড়াস্থ জনৈক ছৈয়দের বাড়ীর সামনে পুতুলকে ধরে নিয়ে যেতে টানা হেঁচড়া করতে থাকে সাইফুল। তার সাথে না গেলে পুতুলকে ও এসিড নিক্ষেপ করার হুমকী দেয়। এ ঘটনায় পুতুলের পরিবার ডিজিটাল তথ্য প্রযুক্তি আইনে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে।

এ ব্যাপারে পুতুলের অভিযোগের দায়িত্বপ্রাপ্ত  মহেশখালী থানার দায়িত্ব প্রাপ্ত এসআই গোলাম মোস্তফা জানান, সরেজমিন তদন্তে গিয়ে জানলাম সাইফুল পুতুলকে বিভিন্ন সময়ে অনৈতিক ও ভয় দেখিয়ে ম্যাসেজ পাঠায়। পুতুলের বিয়ের ৪বছরে সন্তান জন্ম হলেও সাইফ পুতুলকে উত্যক্ত করতে থাকে। গ্রামের মানুষ সাইফ সম্পর্কে খারাপ তথ্য দিয়েছে। তারা জানিয়েছে সাইফ  এলাকার নিরীহ মানুষকে হয়রানির সাথেও জড়িত। এলাকায় বিভিন্ন খারাপ মানুষের পক্ষ হয়ে সাইফ গুপ্তচরবৃত্তি করে বলে জানায় এলাকার লোকজন।

এ ব্যাপারে সাইফের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে সে জানায়, তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। মেয়েটির সাথে অন্য কারো সম্পর্ক থাকতে পারে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •