মিজানুল আলম


বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা WHO, দেশের চিকিৎসা বিজ্ঞানী এবং বিশেষজ্ঞদের সাথে পরামর্শ না নিয়ে এই মাসের শুরুর দিকে লকডাউন খুলে দিয়ে দেশকে করোনার হাট বাজারে পরিণত করেছে  সরকার।
এই মুহুর্তে করোনার ভয়াবহ প্রাদুর্ভাবে বাংলাদেশ প্রায় ২০ বছর পিছিয়ে গেছে, বেকার হয়েছে প্রায় দেড় কোটি মানুষ। সরকারের প্রতি অনুরোধ থাকবে দ্রুত করোনা সনাক্তে গণস্বাস্থ্যের কিট ব্যবহার করতে দিন।   জানিনা কোন কারণে গণস্বাস্থ্যের কিট সরকার ব্যবহার করছে না, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার পরিক্ষামূলক ব্যবহারে এর বেটার ফলাফল পরিলক্ষিত হয়েছে।
সুতরাং সরকারের উচিত কম টাকায় কম সময়ে দেশের অধিকাংশ অসুস্থ মানুষের জরুরী ভিত্তিতে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করণে গণস্বাস্থ্যের কিট ব্যবহার করা।
ডঃ জাফরউল্লাহ কোন দলের নয়, তিনি বাংলাদেশের সম্পদ। এই মহামারিতে দল মত নির্বিশেষে সবাইকে একসাথে করোনা মহামারি মোকাবেলায় কাজ করতে হবে।

গতকাল কক্সবাজারের বিশিষ্ট পর্যটন উদ্যোক্তা বাহাড়ছড়া এলাকার ডালিম ভাই মারা গেল শুধুমাত্র একটা পূর্ণাঙ্গ আইসিইউ বেডের কারণে।
অথচ কক্সবাজারে কয়েক লক্ষ হাজার টাকার সরকারি উন্নয়ন কাজ চলছে যেখানে চিকিৎসা খাতের উন্নতি মাকালফল মাত্র এবং দুর্নীতিগ্রস্থ।
আওয়ামীলীগের লোকাল এবং জাতীয় পর্যায়ের নেতারা করোনা আক্রান্ত হলে সরকারিভাবে তাদের চিকিৎসার জন্য আলাদা টীম গঠন করা হয়, বিপরীতে সাধারণ জনগণের অবস্থা হয় মৃত্যুর মিছিল।

সরকারের প্রতি অনুরোধ থাকবে অন্তত আরো দুই মাস সারাদেশে লকডাউন ঘোষণা করা হোক এবং বর্তমানে বাংলাদেশে চলমান সকল উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড আপাতত স্থগিত রেখে শুধু মাত্র খাদ্য এবং চিকিৎসা খাতে সরকারি সকল ভর্তুকি অব্যাহত থাকুক।

সেই সাথে সরকারের উচিত এই মুহুর্তে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, পুলিশ, বিজিবি’র যৌথ সমন্বয়ে আলাদা ট্রান্সপোর্ট গঠন করে বাংলাদেশের প্রতিটা ঘরে ঘরে খাদ্য সামগ্রী এবং প্রাথমিক চিকিৎসার উপকরণ পৌঁছে দেওয়া।

সবাই বাসায় থাকুন, সুস্থ থাকুন, নিরাপদে থাকুন।
এই পৃথিবী দ্রুত সময়ে তার হারানো স্বরূপ ফিরে পাক মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে সেই প্রার্থনা করি।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •