বলরাম দাশ অনুপম :

বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে কক্সবাজারে ৫০ হাজার চারা গাছ রোপনের কর্মসূচীর উদ্বোধন করা হয়েছে। “টিম কক্সবাজার” এর উদ্যোগে সমুদ্র শহরে চলতি বর্ষা মৌসুমে এই চারা গাছ রোপন করা হবে। শুক্রবার দুপুরে কক্সবাজার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে প্রধান অতিথি থেকে আনুষ্ঠানিক এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইকবাল হোসেন। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রিপোর্টার্স ইউনিটি কক্সবাজারের সভাপতি অন্যতম পরিবেশ সংগঠক এইচ,এম নজরুল ইসলাম। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তরুণ সাংবাদিক পরিবেশ সংগঠক আজিম নিহাদ৷

প্রধান অতিথি বলেন, সমুদ্র শহরকে জীব বৈচিত্র্য ও প্রকৃতির সবুজ শহরে রূপান্তর করতে নতুন প্রজন্মের পরিবেশ যুদ্ধাদের এগিয়ে যেতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব ও বৈশ্বিক করোনা মহামারী প্রকৃতির চরম প্রতিশোধের অংশ বলে জানান নেতৃবৃন্দরা। তাই পাহাড় কাটা বন্ধ ও পরিবেশ রক্ষায় সকলকে একযোগে কাজ করার জন্য আহবান অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের। “টিম কক্সবাজার” এর সমন্বয়ক গাজী নাজমুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৃক্ষ রোপন কর্মসূচিতে অন্যানদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্বপ্নজাল নির্বাহী পরিচালক সাকিরুল ইসলাম,শান্ত নূর – সমন্বয়কারী, ইয়ুথনেট ফর ক্লাইমেট জাস্টিস, পরিবেশ সংগঠক ফয়সাল রিয়াদ, টিম কক্সবাজার এর সদস্য- আমিনুল ইসলাম সাহেদ, যুবরাজ শিপলু, রানা শর্মা, মিছবাহ উদ্দিন,পরিবেশ কর্মী সাজন বড়ুয়া সাজু, চিনময় বড়ুয়া রোজ মেনস্ পার্লার এর সত্বঅধিকারী- আরিফ, পরিবেশ ও সমাজ কর্মী-কামরুল হাসান ও আরিফুল ইসলাম তুষার।
ছাত্রলীগ নেতা ও পরিবেশ কর্মী- মেহেদী হাসান, রাকিব ইসলাম, মোহাসেন উল্লাহ ছাত্রনেতা- ইমরান, মুন্না, রাইয়ান, রায়হান, রাকিব, ইমন প্রমুখ। নেতৃবৃন্দরা এসময় আরো বলেন,বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তনের হাত থেকে প্রকৃতিকে রক্ষার লক্ষ্যে সারা দুনিয়ার মানুষকে উৎসাহিত করার জন্য এই দিনটির বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। পরিবেশ সচেতনতা তৈরির জন্য জাতিসংঘের সবচেয়ে বড় মঞ্চ এ দিবসটি ১৯৭৪ সাল থেকে প্রতি বছর ৫ জুন পালিত হয়ে আসছে। পরিস্থিতির সঙ্গে সমন্বয় রেখে এবার দিবসটির প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে- ‘প্রকৃতিকে বাঁচানোর এখনই সময়’। বিরূপ প্রকৃতিকে রক্ষার জন্য একটি গাইডলাইন ইতোমধ্যে করোনা দিয়ে গেছে। সরকারি-বেসরকারি সংস্থার উচিত এই সময়ের বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করা। দ্রুত এ পরিস্থিতি থেকে শিক্ষা নিয়ে আগামী দিনের জন্য কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ করতে হবে। কিছুতেই যেন আগের মতো পরিবেশ বিধ্বংসী কর্মকাণ্ড ফিরতে না পারে, সেদিকে বেশি সোচ্চার থাকতে হবে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •