মোঃ ফারুক , পেকুয়া :

কক্সবাজারের পেকুয়ায় সাবেক ইউপি সদস্যের মালিকানাধীন জমি জবর দখল করে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের জন্য মেশিন বসানোর চেষ্টা করেছে একদল সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী। এঘটনায় সন্ত্রাসীরা ফাঁকা গুলিবর্ষণের পাশাপাশি মারধর করে আহত করেছে সাবেক ইউপি সদস্য নুরুল কবিরকে।

সোমবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে টইটং ইউপির গলাচিরা যোগখোলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আহত ইউপি সদস্য টইটং ইউপির বটতলি ঝুমপাড়া এলাকার মৃত মোজাহের আহমদের ছেলে।

আহত ইউপি সদস্যের ছেলে মোঃ বাবর বলেন, ঘটনার কয়েকদিন আগে থেকে আমাদের জমি জবর দখল করে বালু উত্তোলনের মেশিন বসানোর চেষ্টা করে আসছিল বাঁশখালী পুঁইছড়ি এলাকার খুইল্যা মিয়ার ছেলে মোঃ খোকন ও বাবুলসহ একদল অস্ত্রধারী। ঘটনার দিন ওই দুই ব্যক্তি অস্ত্র সজ্জিত হয়ে ঝুম পাড়া এলাকার অলী আহমদের ছেলে জয়নাল ও জাকের উল্লাহ, আমির হোছাইনের ছেলে শাহাদতসহ একদল অস্ত্রধারী আমাদের জমিতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের জন্য মেশিন বসানোর চেষ্টা করে। বিষয়টি স্থানীয়রা আমার পিতাকে অবগত করলে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে জমি জবর দখল করার কারণ জানতে চান। এ সময় তারা ক্ষিপ্ত হয়ে আমার পিতাকে মারধর করে গুরুতর আহত করে। এসময় স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে তারা ফাঁকা গুলিবর্ষণ করে এলাকায় আতংক সৃষ্টি করে। পরে তারা সংঘবদ্ধ হয়ে আমাদের বাড়িতে এসে হামলার চেষ্টা করে। এক পর্যায়ে আমাদের বাড়িতে মেহমান হিসাবে আসা মোজাম্মেল হকের ছেলে শহিদুল্লাহর ব্যবহৃত একটি মটর সাইকেল ছিনতাই করে নিয়ে যায়। যার গাড়ির নাম্বার টিবিএস চট্র-মেট্রো ১৫-৩৭২৬।

তিনি আরো বলেন, টইটং ইউপির চেয়ারম্যান জাহেদুল ইসলামের সময়ে চোর, ডাকাত আর অস্ত্রধারীরা এলাকা ছাড়া ছিল। একটি বিষয়ে তিনি এলাকায় অবস্থান করতে না পারায় বাঁশখালীর পুঁইছড়ি ও টইটংয়ের পাহাড়ী সন্ত্রাসীরা আবারো সন্ত্রাসী কার্যক্রম শুরু করেছে। স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ স্বীকৃত এ অপরাধীদের আইনের আওতায় না আনলে রক্তপাতের মত ঘটনা ঘটতে থাকবে।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী বুলবুল আকতার, নুসরাত জাহান তানিয়া, আনোয়ারা বেগম, শহিদুল্লাহ বলেন, তারা অস্ত্র সজ্জিত হয়ে যেভাবে হামলা চালিয়েছে তা খুব বর্বর। বাড়ির লোকদের গুলি করে হত্যা করা তাদের উউদ্দেশ্যে ছিল। কিন্তু স্থানীয়রা এগিয়ে আসায় তারা ফাঁকা গুলি করে পালিয়ে যায়।

এবিষয়ে জানতে চাইলে পেকুয়া থানার ওসি কামরুল আজম বলেন, হামলার বিষয়টি মৌখিকভাবে আমাকে অবগত করেছে। লিখিত অভিযোগ এখনো পায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •