এম.জিয়াবুল হক,চকরিয়া :

করোনা ভাইরাসের সংক্রমনের শুরু থেকে ৩১ মে পর্যন্ত কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার ১৮টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা এলাকায় সনাক্ত রোগীর সংখ্যা ১৫৮জন। তৎমধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন প্রায় ১১২ জন করোনা আক্রান্ত রোগি। আক্রান্তের তুলনায় সুস্থতার হার অনেক বেশি। তারপরও সংক্রমণ রোধে কার্যক্রম অব্যহত রাখতে হবে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিসংখ্যান কর্মকর্তা আমির হামজা বলেন, করোনা ভাইরাসের সংক্রমনের শুরু থেকে এই পর্যন্ত চকরিয়ায় ১৫৮ জন করোনা রোগি সনাক্ত হয়েছেন। তার মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ১১২জন। মৃত্যু বরণ করেছে দুইজন। এদের মধ্যে বাড়িতে আইসোলেশনে থেকে সুস্থ হয়েছে বেশি রোগি।

তিনি বলেন, ১৫৮ জন করোনা আক্রান্তের মধ্যে বাড়িতে আইসোলেশনে থেকে সুস্থ হয়েছে ৭৪ জন। আর হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়েছেন ৩৮জন। মারা গেলে দুইজন। তবে মারা দুইজনকে তাৎক্ষণিকভাবে আইসিইউ আ ভেন্টিলেটর দেয়া হলে তারাও বেঁচে যেতে পারতো।

তিনি আরো বলেন, বর্তমানে চকরিয়া ৫৪জন করোনা আক্রান্ত রোগি রয়েছেন। তাদের মধ্যে ৪৪জন বাড়িতে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। বাকি ১০ জন হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এদের মধ্যেও বেশ কিছু সুস্থতার পথে।

জানতে চাইলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কোভিড হাসপাতালের সম্বয়ক ডা. মোস্তফা কামাল বলেন, একজন করোনা আক্রান্ত রোগির সুস্থ হতে ১৪-১৫দিন সময় লাগে। সে হিসেবে চকরিয়ায় করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসা চলছে প্রায় এক মাস হচ্ছে। সেজন্য প্রায়জনই এক সাথে সুস্থ হয়ে উঠছেন। পাশাপাশি তাদের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের গাইডলাইন অনুযায়ী চিকিৎসা দিচ্ছি। তাছাড়া রোগিরাও আমাদের দেয়া গাইডলাইন অনুযায়ী চলছে। তাই সুস্থ হয়ে উঠছে দ্রুত।

তিনি বলেন, দেখা যাচ্ছে চকরিয়ায় করোনায়া আক্রান্তদের বেশিরভাগেরেই উপসর্গ নেই। তাই যাদের মধ্যে উপসর্গ কম অথবা একটু লক্ষণ দেখা যায় তাদের বাড়িতে আইসোলেশনে রেখে চিকিৎসা দিচ্ছি। তাদের সাথে প্রতিনিয়ত যোগাযোগ রাখছি। তবে কারো অবস্থা খারাপ হলে তাকে হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে নেয়া হচ্ছে। সেখানেই চলছে তাদের চিকিৎসা। ##

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •