সালাহ্ উদ্দিন জাসেদ :

উখিয়া জালিয়া পালং ইউনিয়নের পশ্চিম সোনাইছড়ি গ্রামে বসত ভিটা সীমানা প্রাচীর নির্মাণ কালে ভূমিদস্যুদের হামলায় মনজুর আলম নামের ১ ব্যাক্তি গুরুতর আহত হয়েছে। তাকে আশংকাজনক অবস্থায় এলাকাবাসী উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার সকাল ৭ টায়।

আহত ব্যক্তি মনজুর আলম(৪৫) পিতা- মৃত ইসলাম মিয়া অভিযোগ করে বলেন, আমার খরিদ সূত্রে প্রাপ্ত সৃজিত বি,এস ১০৫৫ নং খতিয়ানের ২৩৩৩ নং দাগে স্থিত বসত ভিটা দীর্ঘদিন ধরে ভোগ দখল করে আসছি। এরমধ্যে এই জমি নিয়ে নিজের বড় ভাই ফরিদ আলম অনেকদিন যাবৎ বিরোধ করে আসছে বলে জানান।

তিনি আরও বলেন, আমার খরিদ সূত্রে বসত ভিটার সীমানা প্রাচীর নির্মাণ কালে আমার বড় ভাই ভূমিদস্যু ফরিদ আলম(৫০) পিতা- মৃত ইসলাম মিয়া, এর নেতৃত্বে মোহাম্মদ হোসেন(২৫) পিতা- ফরিদ আলম, মোহাম্মদ ফারুক(২৭) পিতা- ফরিদ আলম ও রুবি আক্তার(৪৭) স্বামী- ফরিদ আলম কিরিস, ছুরি, লোহার রড, লাঠিসোটা ও দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে আমার উপর হামলা করে। একপর্যায়ে তার ছেলে মোহাম্মদ হোসেন লম্বা ধারালো ছুরি দ্বারা হত্যার উদ্দেশ্যে আমার পেট বরাবর আঘাত করে। এক পর্যায়ে উক্ত ছুরি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে আমার ডান পায়ে লেগে মারাত্মক ভাবে আঘাত প্রাপ্ত হয়ে মাটিতে পড়ে গেলে আমার উপর লোহার রড দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করতে থাকে। আমার স্ত্রী বাধা দিলে তারা আমার স্ত্রীর গায়ের কাপড়-চোপড় টানাহেঁচড়া করে শালীনতা হানি করে। আমার চিৎকার শুনতে পেয়ে এলাকাবাসীরা এগিয়ে আসলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়।

স্থানীয় গ্রামবাসী জানান, উপজেলা জালিয়া পালং ইউনিয়নের সোনাইছড়ি গ্রামে নিজ ভোগ দখলীয় জমিতে প্রাচীর নির্মাণ কালে মনজুর আলমের ভাই ভূমিদস্যু প্রতিপক্ষ গ্রুপ পরিকল্পিত ভাবে দা, লাটি, ছুরি নিয়ে সন্ত্রাসী হামলা চালায়। এসময় সন্ত্রাসী হামলায় গুরুত আহত হয় মনজুর আলম। আমরা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

আহত ব্যক্তির স্ত্রী অভিযোগ করে বলেন, আমাদের খরিদ করা ও দীর্ঘদিনের ভোগ দখলী জায়গা জবর দখল করার কু-মানসে ভূমিদস্যুরা ন্যাক্কার জনক ভাবে হামলা চালিয়ে আমার স্বামীকে রক্তাক্ত ও আমার শালীনতা হানি করেছে। হামলাকারী এলাকার ভূমিদস্যু এবং সন্ত্রাসী প্রকৃত লোক হিসেবে চিহ্নিত।

এ ঘটনায় এলাকায় ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। ভূক্তভোগী পরিবার প্রশাসনের হস্তক্ষেপ পূর্বক আইনী সহায়তা কামনা করছেন।

উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মর্জিনা আক্তার বলেন, অভিযোগ পেলে ঘটনা তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •