মুহাম্মদ আবু সিদ্দিক ওসমানী :

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার কুতুপালং ২ নম্বর রোহিঙ্গা শরনার্থী ক্যাম্পের পশ্চিম পাশের ডি ব্লকে সংঘবদ্ধ রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের আক্রমণে ক্যাম্প ইনচার্জ (সিআইসি) উপসচিব ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রট মোঃ খলিলুর রহমান খান ও ২ আনসার সদস্য আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার ২৮মে বেলা দেড়টার দিকে ক্যাম্পের অভ্যন্তরে এ ঘটনা ঘটে।

ক্যাম্পের দায়িত্বশীল সুত্র জানিয়েছে, উক্ত ক্যাম্পের ডি ব্লক ও ৭ নম্বর ক্যাম্পের সীমানায় বিটিভি রিলে স্টেশনের পশ্চিমে রোহিঙ্গা শরনার্থী ক্যাম্পের সংঘবদ্ধ রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীরা সেমিপাকা দোকানঘর নির্মাণ করে বাজার বসাচ্ছিলো। ক্যাম্প ইনচার্জ (সিআইসি) উপসচিব ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রট মোঃ খলিলুর রহমান খান এ খবর পেয়ে তাদের উচ্ছেদ করার জন্য আনসার ও রোহিঙ্গা স্বেচ্ছাসেবক নিয়ে ঘটনাস্থলে যান।

অবৈধভাবে নির্মাণ করা কয়েকটি দোকানঘর ভেঙ্গে দেওয়ার পর সংঘবদ্ধ ২০/২৫ জন রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী দা, চুরি, লাটিসোটা নিয়ে সিআইসি, আনসার সহ সহ সেখানে যাওয়া অন্যান্যদের উপর আক্রমণ চালায়। এক পর্যায়ে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীরা বৃষ্টির মতো ইট, পাথর ও গুলতি নিক্ষেপ করতে থাকে। আনসার সদস্যরা আক্রমনকারীদের নিবৃত্ত করতে চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। এসময় রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের ছোড়া ইটপাটকেলে উপসচিব ক্যাম্প ইনচার্জ (সিআইসি)ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রট মোঃ খলিলুর রহমান খান ও ২ আনসার সদস্য আহত হন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রট মোঃ খলিলুর রহমান খান আনসারদের গুলি করার আদেশ দিলে আনসার সদস্যরা আক্রমনকারীদের দিকে কয়েকরাউন্ড ফাঁকা গুলিবর্ষন করতে করতে পিছু হটে দোকান উচ্ছেদ না করে চলে আসে। এসময় আনসার সদস্যরা একজন রোহিঙ্গা আক্রমনকারীকে আটক করে।

এ বিষয়ে উখিয়া থানার ওসি (তদন্ত) নুরুল মজুমদারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১দিকে সিবিএন-কে বলেন, আটক সন্ত্রাসী রোহিঙ্গা এখনো সিআইসি’র হেফাজতে রয়েছে। উখিয়া থানায় এ বিষয়ে কোন মামলাও ক্যাম্প কর্তৃপক্ষ দায়ের করেননি।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •