জিয়াবুল হক ,চকরিয়া :

চকরিয়া উপজেলার ফাঁসিয়াখালীতে র‌্যাবের ওপর মাদক কারবারিদের হামলা এবং সংঘর্ষের ঘটনায় উপজেলা যুবলীগের সিনিয়র সদস্য হেলাল উদ্দিন হেলালী, ইউনিয়ন যুবলীগের সহ-সভাপতি হাসনাত মোহাম্মদ ইউসুফ ও যুগ্ন সম্পাদক আরাফাতকে আসামি করা হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, স্থানীয় রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে মামলাটিতে ষড়যন্ত্রমুলক ভাবে যুবলীগের নিরীহ এসব নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত না থাকলেও সংগঠনের নিরীহ এসব নেতাকর্মী আসামি হওয়ায় তার প্রতিবাদ পাশাপাশি তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন চকরিয়া উপজেলা যুবলীগ। উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ কাউছার উদ্দিন কছির তাঁর ব্যক্তিগত ফেসবুক ফেইজে ঘটনার নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে প্রকৃত সত্যতা উৎঘাটনপুর্বক দোষিদের বিরুদ্ধে আইনী প্রদক্ষেপ নিতে কক্সবাজারের মান্যবর পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন সহ প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট সকলের দৃষ্টি আর্কষন করেছেন।

চকরিয়া উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ কাউছার উদ্দিন কছির তাঁর ব্যক্তিগত ফেসবুক ফেইজে ঘটনার দিনের বিস্তারিত বর্ণনা তুলে ধরেছেন। ওইদিন যুবলীগের নেতাকর্মীরা যে ঘটনায় জড়িত ছিলেন না তাঁর আদোপ্যান্তও তুলে ধরেছেন তিনি।

চকরিয়া উপজেলা যুবলীগের আলহাজ কাউছার উদ্দিন কছির এর টাইমলাইন থেকে

জানা গেছে, ঘটনার দিন যখন ফাঁসিয়াখালীতে র‌্যাবের সাথে মাদক কারবারিদদের গুলাগুলি চলতেছে হেলাল উদ্দীনই সর্ব প্রথম চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো.হাবিবুর রহমানকে সরকারী নম্বরে কল করে ঘটনার খবর দেয়। কিন্তু সে নিজেই এখন মামলার আসামী। বাকী দুজন ঘটনা সম্পর্কে জানেনা শুদ্ধ।

আমরা চকরিয়া উপজেলা যুবলীগ কক্সবাজারের মাননীয় পুলিশ সুপার যিনি কক্সবাজার কে মাদক আর সন্ত্রাস মুক্ত করার জন্য দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন এবিএম মাসুদ হোসেন পিপিবার মহোদয়,

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইকবাল হোসেন মহোদয়, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার(চকরিয়া-সার্কেল)কাজী মতিউল ইসলাম মহোদয়, চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ হাবিবুর রহমান সহ প্রশাসনের ও র‌্যাবের উর্ধতন কর্মকর্তা বৃন্দের অনুরোধ জানাবো ঘটনার সঠিক তদন্ত করে চকরিয়ার চিহ্নিত মাদক কারবারি আর ঐদিনের ঘটনার মুলহোতা ঘটনাস্থল থেকে ধৃত আসামী সহ তাদের গডফাদারদের গ্রেফতার পুর্বক দ্রুত আইনী ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য।

পাশাপাশি আমাদের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ আমাদের অভিবাবক চকরিয়া-পেকুয়া(কক্সবাজার-১) আসনের সাংসদ আলহাজ জাফর আলম এমএ, কক্সবাজার জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা, সাধারণ সম্পাদক মেয়র মুজিবুর রহমান, কক্সবাজার জেলা যুবলীগের সভাপতি সোহেল আহমদ বাহাদুর, সাধারণ সম্পাদক শহিদুল হক সোহেল সহ সকলের নিকট আবেদন জানাচ্ছি, আপনারা প্রশাসনকে বলেন, এই ঘটনায় যে মাদক কারবারিরা জড়িত তাদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে নিরহ স্থানীয় রাজনীতির প্রতি হিংসার শিকার যুবলীগের তিন নেতাকে মামলা থেকে বাদ দেওয়ার জন্য। সেই সাথে ধৃত আসামী তার সহযোগী সহ চিহ্নিত মাদক কারবারি আর দক্ষিণ চট্রগ্রামের আলোচিত শ্রেষ্ঠ গরু চোরের সিন্ডিকেট আর পকেটমার চক্রের গডফাদার সহ চকরিয়ার চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় এনে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •