মুহাম্মদ আবু সিদ্দিক ওসমানী :

কক্সবাজার জেলার প্রতিটি উপজেলায় করোনা আইসোলেশন সেন্টার করা হচ্ছে। এজন্য ইউএনও এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ইতিমধ্যে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আবাসিক হোটেল, কমিউনিটি সেন্টার, ঘূর্নিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা অন্য কোন প্রতিষ্ঠান ভাড়া নিয়ে ন্যূনতম ৫০বেডের একটি করে করোনা আইসোলেসন সেন্টার গড়ে তোলা হবে। চকরিয়া উপজেলার মতো বড় উপজেলায় ও যেসব উপজেলায় করোনা ভাইরাস এর প্রকোপ বেশি দেখা দিয়েছে, সেসব উপজেলায় নিরাপদ স্থানে একধিক ভবন নিয়ে আরো বেশি বেডের আইসোলেশন সেন্টার করার জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেন সিবিএন-কে এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি আরো জানান, করোনা ভাইরাস সনাক্ত হওয়া যেসব রোগীর শরীরে খুব একটা উপসর্গ থাকবে না, তারা সুস্থ হওয়া পর্যন্ত পরিবার ও এলাকাকে ঝুঁকিমুক্ত রাখতে তাদেরকে বিচ্ছিন্ন করে রাখার জন্যই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এখন উপসর্গ নাথাকা করোনা রোগীদের হোম আইসোলেশনে রাখলে তারা আইসোলেশনে না থেকে সর্বত্র ঘুরে বেড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। ফলে করোনা ভাইরাস সংক্রামিত হওয়ার আশংকা দিন দিন বাড়ছে। কক্সবাজার জেলা করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি মোঃ কামাল হোসেন আরো বলেন, এজন্য কক্সবাজার জেলা সদরের পাশাপাশি উপজেলা পর্যায়েও আইসোলেশন সেন্টার করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাগণ এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শুরু করে দিয়েছেন বলে জানান জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেন। তিনি আরো বলেন, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে ইনশাআল্লাহ। প্রসঙ্গত, কক্সবাজার জেলা সদরে ২০০ বেডের অনুরূপ আইসোলেশন সেন্টার গড়ে তোলার প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •