সিবিএনঃ
২৫০ শয্যা বিশিষ্ট কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের বাউন্ডারির ভেতরে স্থাপিত একমাত্র টিউবওয়েলটি প্রায় অকেজো হয়ে গেছে। ১ লিটার পানির একটি বোতল আধাঘন্টায়ও পূর্ণ হয় না। পানি নিতে দুর্ভোগ পোহাতে হয় রোগী ও স্বজনদের। অনেক সময় টিউবওয়েলের কিনারায় দীর্ঘ লাইন দেখা যায়।

তাছাড়া, টিউবওয়েলটির তলাসহ চারপাশ খুবই অপরিচ্ছন্ন থাকে। ময়লা-আবর্জনা পড়ে থাকলেও ঠিক মতো সরানো হয় না।

সেলিম উল্লাহ সেলিম নামের এক ভুক্তভোগী বলেন, হাসপাতালের রোগী, দর্শনার্থীরাসহ আগত সবার পানির একমাত্র উৎস এই টিউবওয়েল। সুপেয় পানির বিকল্প কোন টিউবওয়েল নেই। হাসপাতালের পক্ষ থেকে ওয়ার্ড, কেবিনে পানি সরবরাহের কোন ব্যবস্থা নেই। যে কারণে পানি নিয়ে অনেক কষ্ট পেতে হয়।

অত্যন্ত দুঃখ ও পরিতাপের বিষয়, হাসপাতালের উত্তর গেইটে বসানো একমাত্র টিউবওয়েলটি যেন রুগ্ন। যত চাপাচাপি করিনা কেন, পানি সহজে পাওয়া যায় না।

আমি নিজেই পানির জন্য প্রায় আধাঘণ্টা যুদ্ধ করেছি। কিন্তু এক লিটার বোতলের অর্ধেকও পানি ভরতে পারি নি।

হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডাক্তার মোঃ শাহীন আব্দুর রহমান চৌধুরীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি বলেন, আপনার আমলে সদর হাসপাতালের অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে। সেবার মানও বেড়েছে।

তিনি বলেন, হাসপাতালের সুনাম সবার মুখে শুনে আসছি। নিজেও তা চোখে দেখেছি, বিশ্বাস করি। কিন্তু একটি টিউবওয়েলের কারণে বদনাম কেন হবে?

রোগী ও স্বজনেরা পানি নিয়ে কষ্ট পাচ্ছে। আপনি দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করুন।

এদিকে, ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলার একমাত্র সরকারী প্রতিষ্ঠানে মাত্র একটা টিউবওয়েল রয়েছে। অথচ প্রতিদিন হাসপাতালে হাজারো রোগি-দর্শনার্থী যায়।

জনসংখ্যা ও প্রয়োজনীয়তার আলোকে সুপেয় পানির ব্যবস্থা নেই এখানে। যে কারণে পানি নিয়ে রোগিদের কষ্ট পেতে হয়।

এ বিষয়ে জেলা সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডাক্তার মোঃ শাহীন আব্দুর রহমান চৌধুরীর নিকট জানতে চাইলে বলেন, এটা গণপূর্ত অধিদপ্তরের বিষয়। তাদেরকে জানানো হলে  প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেন।

এরপর জরুরী ফোন আসায় প্রতিবেদকের সাথে আর কথা বলতে পারেন নি আরএমও।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •