মোঃ জয়নাল আবেদীন টুক্কুঃ

রামু উপজেলার কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের গর্জনিয়া বাজারে পুলিশ সরকারের ঘোষিত লকডাউন ও কক্সবাজার জেলার ডিসি মহোদয়ের নির্দেশ পালনে বার বার সর্তক করার পরও প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করে গর্জনিয়া বাজারে শপিং মল খোলা রাখায় বৃহস্প্রতিবার (২১ মে) ৭ দোকানদারকে ধৃত করে ফাঁড়িতে নিয়ে আসেন। এর পর ব্যতিক্রমী এক উদ্যোগ গ্রহণ করেন গর্জনিয়া ফাঁড়ি পুলিশের ইনচার্জ ও পুলিশ পরিদর্শক মোঃ আনিছুর রহমান। প্রাণঘাতী মহামারী করোনা প্রতিরোধে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সাংবাদিকদের সামনে তিনি ধৃত ব্যবসায়ীদের সরকারী আইন মেনে চলার জন্য পুলিশ ফাঁড়িতে তিনি এক শপথ বাক্য পাঠ করান।

এ শপথ বাক্যে বলা হয় করোনা প্রতিরোধে সরকার দেশে যতদিন লকডাউনের এ আদেশ জারি রাখে তত দিন তারা দোকান খুলবে না এ শর্ত অনুযায়ী তাদের কে ভাই ও পিতার তুল্য সম্মান করে স্থানীয় সাবেক মেম্বার আনছারীর মাধ্যমে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে সচেতন মানুষ পুলিশের এ কর্মকর্তাকে মানবিক পুলিশ অফিসার আখ্যা দিয়ে সাধুবাদ জানান অনেকে। এছাড়াও তিনি গর্জনিয়া বাজারে জনসমাগম বৃদ্ধির খবর শুনে জনসচেতনতা মুলক অভিযান অব্যাহত রাখেন।

জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন এভাবে করোনা প্রতিরোধে কাজ করায় গর্জনিয়া-কচ্ছপিয়ার সচেতন মানুষের প্রশংসায় ভাসছেন।

এ বিষয়ে তিনি সাংবাদিকদের বলেন এভাবে দিন রাত পরিশ্রম করে যাচ্ছি তবুও এলাকার মানুষ সচেতন হচ্ছেনা। এমনকি মানুষ নিজে বাচঁতে ও অন্যকে বাচাঁতে মুখে মাক্সটা পর্যন্ত পড়ে না।তিনি সাধ্যমত চেষ্টা করেও কোল কিনারা পাচ্ছেনা।কচ্ছপিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি নাছির উদ্দীন সিকদার সোহেল ও বাজারের সচেতন ব্যবসায়ীরা বলেন.পুলিশ ঝুঁকি নিয়ে আমাদের রক্ষায় যে কষ্ট করে যাচ্ছে তা ভুলার মত নয়। সচেতন জনগণ দেরিতে হলেও এ অভিযানকে অভিনন্দন জানাতে শুরু করেছে ।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •