চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:

সব রেকর্ড অতিক্রম করেছে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯)। চট্টগ্রামে একদিনে করোনা শনাক্ত হয়েছে ২৫৭ জন ও মৃত্যু বরণ করেছে ৪ জন। যা আগের সব রেকর্ডকে অতিক্রম করেছে। যার মধ্যে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে গতকাল মঙ্গলবারের রিপোর্ট রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে আক্রান্তের হার বৃদ্ধি পেতে থাকলে অনেকটাই করোনার হটস্পট হিসেবেই গড়ে ওঠবে বন্দর নগরী চট্টগ্রাম।

উল্লেখ্য, করোনা চট্টগ্রামে এখন পর্যন্ত ১২২৯ জন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। এদের মধ্যে ইতোমধ্যে ১৩২ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন এবং মৃত্যু হয়েছে ৪৫ জনের।

চট্টগ্রামে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে আরও ২৫৭ জন। যাদের মধ্যে চট্টগ্রামের বায়তুশরফের পীর, চিকিৎসক, শিশুও রয়েছে। আজ বুধবার (২০ মে) চট্টগ্রামের ফৌজদারহাটের বিআইটিআইডি ২৩৯ জনের নমুনা পরীক্ষায় চট্টগ্রামে ৪১ জনের পজিটিভ রিপোর্ট আসে। চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিভাসু) ল্যাবে ৯৬ জনের নমুনা পরীক্ষায় চট্টগ্রামের ২৮ জনের পজিটিভ রিপোর্ট আসে। কক্সবাজার মেডিকেল কলেজে চট্টগ্রামের ১৮ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৬ জনের পজিটিভ রিপোর্ট আসে।

এদিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে গতকাল মঙ্গলবারের আজকে প্রকাশিত ২০৩ জনের নমুনা পরীক্ষায় চট্টগ্রামে ১০১ জন করোনা শনাক্ত হয়েছে। আজ বুধবার চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে ১৭০ জনের নমুনা পরীক্ষায় চট্টগ্রামের ৮১ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ দুই দিনের ল্যাবে সর্বমোট ৭২৬ টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। যাতে সর্বমোট ২৬৯ জনের ফলাফল পজিটিভ আসে। এরমধ্যে চট্টগ্রামের ২৫৭ জন রয়েছেন। কুমিল্লা, নোয়াখালীসহ বিভিন্ন জেলার বাসিন্দা।

বুধবার রাতে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি। তিনি জানান, চার ল্যাবে ৭২৬ জনের নমুনা পরীক্ষায় চট্টগ্রামের আরও ২৫৭ জন করোনা শনাক্ত হয়েছে। মঙ্গলবার অপ্রকাশিত চমেকের রিপোর্ট আজকে প্রকাশ করা হয়েছে। যাতে ২০৩ জনের মধ্যে চট্টগ্রামের ১০১ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।

চট্টগ্রামের ২৩৯ নমুনাসহ বিআইটিআইডি এ নিয়ে ৭ হাজার ৩২৪ জনের নমুনা এবং সিভাসুর ল্যাবে ১ হাজার ৮১৯ টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এছাড়া চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের (চমেক) ল্যাবে এখন পর্যন্ত ১ হাজার ২৬০ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। যারমধ্যে চট্টগ্রামে এখন পর্যন্ত ১২২৯ জন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। এদের মধ্যে ইতোমধ্যে ১ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন এবং মৃত্যু হয়েছে ৪৫ জনের।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •