এম.জিয়াবুল হক,চকরিয়া :

করোনা সংক্রমণে জনগনের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিতে কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের সিদ্বান্তের আলোকে জরুরী খাদ্যপন্য ও ওষুদের দোকান ছাড়া সবধরণের দোকানপাট বন্ধের নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। অবশ্য আগে থেকে জেলা প্রশাসনের এই আদেশ মোতাবেক সবধরণের দোকানপাট বন্ধে মাঠ তদারকিতে রয়েছেন চকরিয়া উপজেলা প্রশাসন। সেইজন্য ইতোমধ্যে মার্কেট মালিক ও ব্যবসায়ী সমিতির সঙ্গে বৈঠক করে ঈদুল ফিতর পর্যন্ত চকরিয়া উপজেলার ১৮টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা এলাকায় জরুরী খাদ্যপন্য কাচাবাজার ও ওষুদের দোকান ছাড়াও অন্যসব দোকান বন্ধ রাখার আদেশ দিয়েছেন উপজেলা প্রশাসন।

চকরিয়া উপজেলা প্রশাসনের সিদ্বান্তের আলোকে সরকারি আদেশ অমান্য করে দোকান খোলা রেখে ব্যবসা-বাণিজ্য অব্যাহত রাখার ঘটনায় প্রতিদিনই অভিযান চালাচ্ছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। সর্বশেষ মঙ্গলবার ১৯ মে দুপুর দুইটা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত উপজেলা ও পৌরসভার বিভিন্ন জনপদে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট সৈয়দ শামসুল তাবরীজ।

অভিযানে আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট উপজেলার বিভিন্ন স্থানে সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখতে অপ্রয়োজনীয জমায়েত ও আড্ডা ছত্রভঙ্গ করেছেন। একই সময়ে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে দোকান খোলা রাখায় চকরিয়া পৌরসভার হালকাকারা, বরইতলী ইউনিয়নের পহরচাদা কুতুববাজার, একতাবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৮টি মামলায় ১ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন।

চকরিয়া উপজেলা প্রশাসন সুত্রে জানা গেছে, আগেরদিন সোমবারও সরকারি আদেশ অমান্য করে দোকান খোলা রাখায় উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করেছেন ইউএনও সৈয়দ সামসুল তাবরীজ। ওইসময় তিনি উপজেলার ঢেমুশিয়া ইউনিয়নের ঢেমুশিয়া বাজার, পশ্চিম বড়ভেওলা ইউনিয়নের দরবেশকাটা বাজার, শাহারবিল ইউনিয়নের রামপুর বাজার, চকরিয়া পৌরসভার করাইয়াঘোনা- কাহারিয়াঘোনা, মগবাজার, এলাকায় দোকান খোলা রেখে বেচাবিক্রির অভিযোগে ৯টি মামলায় ২৫ হাজার ৩০০ টাকা জরিমানা এবং ২ টি দোকান সিলগালা করে দিয়েছেন। #

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •