মোঃ নিজাম উদ্দিন, চকরিয়া:
করোনা ভাইরাসের কারণে কর্মহীন ও নিন্ম আয়ের মানুষের মাঝে প্রধানমন্ত্রী ২৫০০ টাকা করে ঈদ উপহার প্রদানের সিদ্ধান্ত নেন। এ টাকা বিতরণের তালিকা তৈরিতে অনেক মেম্বার চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে স্বজনপ্রীতিসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এনিয়ে সর্বত্রই তোলপাড় শুরু হয়েছে।
কক্সাবাজারের বিভিন্ন উপজেলায় ২৫০০ টাকার এ তালিকা তৈরি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ঝড় উঠে। স্বচ্ছতা দেখাতে অনেক জনপ্রতিনিধিরা জনগণের উদ্দেশ্যে ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে তালিকা প্রকাশের নিশ্চয়তা প্রদান করেন।
সোমবার (১৮ মে) স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিয়ে রামু উপজেলার খুনিয়াপালং ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল মাবুদ নিজস্ব ফেসবুক পোস্টে উপহারের নগদ টাকার তালিকা প্রকাশের ঘোষণা দেন।
আবদুল মাবুদের ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আলাদা স্ট্যাটা দেন জেলার জেলার চারণ সাংবাদিক হিসেবে পরিচিত ইমাম খাইর। তা মুহুর্তেই ভাইরাল হয়। পোস্টটি শেয়ার করে জনস্বার্থে অন্যান্য চেয়ারম্যানদের উৎসাহিত করেন। এটি দেখার পর তালিকা প্রকাশ করে জবাবদিহিতায় সুস্পষ্ট ঘোষণা দেন সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউপি চেয়ারম্যান টিপু সুলতান ও খুরুশকুল ইউপি চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন। তালিকা প্রকাশ করতে দেখা গেছে রামুর ঈদগড় ইউপি চেয়ারম্যান ভুট্টুকে।
চকরিয়া উপজেলার চিরিঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের টাকার তালিকা প্রকাশ করে দিয়েছেন।
তিনি বলেন, আমি এবং আমার পরিষদ সম্পূর্ণ দুর্নীতিমুক্ত। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কর্মহীন মানুষের মাঝে নগদ টাকা উপহারের তালিকা যথাযথভাবে করা হয়েছে। তালিকাটি ইউনিয়নবাসী যাতে সচক্ষে দেখতে পায় তাই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে টাঙ্গিয়ে দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, সরকারী সকল সুযোগসুবিধা আমার ইউনিয়নে বিতরণের সুস্পষ্ট হিসেব আমার কাছে লিপিবদ্ধ রয়েছে।
একই উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল আমিন জানান, ইউনিয়নবাসীর জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহারের তালিকা এখনো জনসম্মুখে টাঙ্গানো হয়নি। আগামী দু’এক দিনের মধ্যে এটি জনগণের মাঝে প্রকাশ করা হবে।।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •