ছবির লোকটির নাম আহমদ গিয়াস। পেছনের ‘অট্টালিকা’তে পরিবার নিয়ে থাকেন।
চট্টগ্রামের প্রাচীন পত্রিকা দৈনিক আজাদী ও দৈনিক কক্সবাজারে কাজ করেন।
জাতীয় দৈনিক ইত্তেফাকে কাজ করতেন।
যদিওবা বকেয়া বেতনের কারণে ওই পত্রিকা ছেড়েছেন।
আহমদ গিয়াস আপাদমস্তক সাদামাটা, নিরহংকার, নির্লোভ ও নৈতিকতায় বলিয়ান এক ব্যক্তি।
জীবনে কারো ক্ষতি করেছেন কিনা জানি না। কাউকে কষ্ট দিয়েছেন, দেখিনি।
যতটুকু পেরেছেন উপকার করেছেন। যার সম্মান তাকে দিয়েছেন। পেশায় অনুজদের মনভরে ভালোবাসেন। খোঁজ খবর রাখেন। সংবাদের প্রয়োজনে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত শেয়ার করেন।
তিনি আমার দেখা স্রোতের বিপরীতে বেড়ে ওঠা এক অদম্য মানুষ।
তার প্রতিটি লিখনি সত্যনিষ্ঠ ও ক্ষুরধার।
অপসাংবাদিকতার বিরুদ্ধে বলিষ্ঠ দ্রোহ আহমদ গিয়াস।
সাংবাদিকতার কলমকে ব্যবহার করেছেন দেশ, জাতি ও ধর্মের জন্য।
সংবাদের পেছনের সংবাদ উঠে আসে তার কলমে।
লিখনি শক্তি দিয়ে অনেক মানুষের উপকার করেছেন।
স্রোতের বিপরীতে চলে নিজেই প্রমাণ করেছেন, চাইলে ভালো থাকা যায়।
শ্রদ্ধেয় আহমদ গিয়াসের পৈতৃক নিবাস চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী বাজার সংলগ্ন দক্ষিণ পাড়ায়। পরিবারের সবার বড়।
ছোট ভাইয়েরা সবাই প্রতিষ্ঠিত।
স্ত্রী, ৩ সন্তান নিয়ে কক্সবাজার শহরে থাকতেন। মাত্র চার হাজার টাকা বাসা ভাড়া দিতে না পেরে দরিয়া নগরে চলে যান।
সেখানে একটি কুঁড়েঘরে স্বপরিবারে বসবাস। ছন-বেড়ার ঘরে থেকেও অট্টালিকার সুখ পান তিনি।
আহমদ গিয়াস আমাদের গর্ব, আমাদের আইডল।
তার জন্য অজস্র দোয়া ও ভালোবাসা রইলো।

লেখক
ইমাম খাইর
সংবাদকর্মী, কক্সবাজার।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •