রিয়াজ উদ্দিন ,পেকুয়া :

পেকুয়ায় এক গৃহবধূকে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে মাথায় জখম করল দুবৃর্ত্তরা। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। অবস্থার অবনতি হওয়ায় জখমী ওই নারীকে কর্তব্যরত চিকিৎসক চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (চমেকে) রেফার করে। ১৪ মে (বৃহস্পতিবার) বিকেল ৫ টার দিকে উপজেলার রাজাখালী ইউনিয়নের কাঞ্চনপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। আহত মহিলার নাম নুর আয়েশা (২৮)। তিনি ওই গ্রামের ছলিম উদ্দিনের স্ত্রী।

প্রত্যক্ষদর্শী সুত্রে জানায়, বসতভিটার জায়গা নিয়ে কাঞ্চনপাড়ায় নুর আয়েশার স্বামী ছলিম উদ্দিন ও আবদুল মতলবের ছেলে আবদুল হাকিম, তার ভাই আবদুল আজিজ গংদের মধ্যে বিরোধ চলছিল। একমাত্র মাথা গোঁজার ঠাইটুকু বসতবাড়ি থেকে উচ্ছেদ করতে আবদুল হাকিম গং তৎপর হন। এর সুত্র ধরে ঘটনার দিন বিকেলে আবদুল হাকিম, তার ভাই আবদুল আজিজ, আবদুল হাকিমের ছেলে শাহাদাত, তার ভাই নুরুল্লাহ, শিবির ক্যাডার শফিকসহ ৬/৭ জনের দুবৃর্ত্তরা দা, চুরি, লোহার রড নিয়ে ভীতি ছড়িয়ে ছলিম উদ্দিনের বসতবাড়িতে হানা দেয়। এ সময় উত্তেজিত লোকজন ছলিম উদ্দিনের বসতবাড়ি গুড়িয়ে দিতে প্রচেষ্টা চালায়। ছলিম উদ্দিনের স্ত্রী নুর আয়েশা বাধা দেয়। এর জের ধরে হামলাকারীরা লোহার রড দিয়ে নুর আয়েশাকে মাথায় পিটিয়ে জখম করে। রক্তাক্ত মূমুর্ষূ অবস্থায় প্রত্যক্ষদর্শীরা তাকে উদ্ধার করে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।

প্রত্যক্ষদর্শী মুন্সী, আবদুল মতলব ও নুর আয়েশার স্বামী ছলিম উদ্দিন জানান, মধ্যযুগীয় বর্বরতাকে হার মানিয়েছে এ ঘটনা। একজন নারীকে এতগুলো পূরুষ এ ভাবে নিষ্টুর হামলা চালানো ঘটনা খুবই ন্যাক্কারজনক। হামলাকারীদের মধ্যে একজন দুর্ধর্ষ শিবির ক্যাডারও ছিল। ওরা খুবই ভয়ংকর ও প্রভাবশালী ব্যক্তি। অনেকবার নির্যাতন ও হামলা করেছে। মূলত বসতবাড়ি থেকে উচ্ছেদ করতে বার বার এ হামলা। এ ব্যাপারে পেকুয়া থানার ওসি কামরুল আজম জানান, লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা নিব।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •