বার্তা পরিবেশক:

কক্সবাজার শহরের ঝাউতলা গাড়িরমাঠ এলাকায় এক সংখ্যালঘু পরিবারের জায়গা দখলের চেষ্টা করছে একটি সিন্ডিকেট। ওই এলাকার আজিমুল্লাহার আবদুল মতিনের নেতৃত্বাধীন ওই গংটি দীর্ঘদিন ধরে সংখ্যালঘু পরিবারের দখলীয় জায়গাটি দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছে। কিন্তু জায়গা দখল করতে না পারায় সেই থেকে ওই পরিবারের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। সর্বশেষ ওই পরিবার তাদের বাড়ির বসতবাড়ি মেরামত করতে বাধা দেয় গংটি। এক পর্যায়ে হামলাও করেছে। বর্তমানে ওই সিন্ডিকেটের হুমকির মুখে রয়েছে পরিবারটি এবং মেরামত করতে দিচ্ছে বাড়ির কাজও।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, সুধীর কুমার দে’র স্ত্রী বিনা রাণী দে পরিবার নিয়ে তাদের দখলীয় গাড়িমাঠস্থ খাস খতিয়ানের ওই জমিতে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছেন। কিন্তু ওই জমির উপর লোলুপ দৃষ্টি পড়ে আবদুল মতিন গংয়ের। তারা জায়গাটি দখল করার জন্য দীর্ঘদিন ধরে নানাভাবে অপচেষ্টা চালিয়ে আসছে। এই জন্য অসহায় ওই সংখ্যালঘু পরিবারের সদস্যদের মারধর ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে আসছে।

সর্বশেষ ৯ মে বিনা রাণী তাদের বাড়িটি জরাজীর্ণ হয়ে পড়ায় মেরামতের কাজ শুরু করেন। কিন্তু লোকজন নিয়ে এসে ওই মেরামত কাজ বন্ধ করে দেয় আবদুল মতিন। এক পর্যায়ে তাদের উপর হামলাও করেছে। তারপরও বাড়ির মেরামত কাজ করতে দিচ্ছে না। উল্টো বর্তমানে প্রতিনিয়ত প্রাণনাশসহ নানা হুমকি দিচ্ছে আবদুল মতিন ও তার লোকজন। একই সাথে রাতদিন বিনা রাণীর বাড়ির চালায় ঢিল ছুঁড়ছে আবদুল মতিন। এতে অসহ্য ও দুর্বিসহ এক মানবেতর জীবন যাপন করছেন বিনা রাণীর পরিবার।

বিনা রাণী জানান, আবদুল মতিনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দেয়া হয়েছে। কিন্তু প্রতিকার পাওয়া যায়নি। তাই আরো বেপরোয়া হয়ে উঠেছে আবদুল মতিন। এতে নির্যাতনের মাত্রা আরো বাড়িয়ে দিয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, আবদুল মতিন একজন মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবী। তার বিরুদ্ধে মাদকের মামলাও রয়েছে। সে মাদক সেবন করে বিনা রাণী ও তার পরিবারের লোকজনের নাম ধরে প্রতিনিয়ত গালাগালি করে। এমনকি গভীর রাতেও গালাগালি করতে করতে ঘরের চালায় ঢিল ছুঁড়ে। এটা অত্যন্ত অমানবিক ঘটনা বলে জানান স্থানীয়রা। তারা আবদুল মতিনের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করে একটি অসহায় পরিবারকে তার অত্যাচার থেকে রক্ষার করার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহŸান জানিয়েছেন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •