বিগত ৬মে তারিখে অনলাইন ও প্রিন্ট মিডিয়ায় আমাকে ও আমার মাদ্রাসার এডহক কমিটির নব নির্বাচিত সভাপতি জনাব আলহাজ্ব ইউনুছ ভূট্টো (চেয়ারম্যান দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়ন পরিষদ রামু) কে নিয়ে কিছু অসত্য কাল্পনিক ও মিথ্যা রির্পোট প্রচার করা হয়েছে। আমি নিম্নস্বাক্ষরকারী সুপার দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা উক্ত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। উক্ত সংবাদে উল্লেখ করা হয়েছে ২০০৩ সালে ১৩ই নভেম্বর উক্ত মাদ্রাসায় ১৫জন শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ দেওয়া হয়। তাদেরকে বাদ দিয়ে মোটা অংকে উৎকোস নিয়ে নতুনভাবে শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ দিয়ে এমপিও ভূক্তির জন্য আবেদন করা হচ্ছে। যা দাহা মিথ্যা এবং বানোয়াট।মূলত উক্ত ১৫জন থেকে বর্তমানে ৩জন কর্মরত আছে। তাদেরকে এমপিও ভূক্ত করার জন্য ইতিমধ্যে আবেদন করা হয়েছে। অবশিষ্ট ১২ জন বিগত ১০/১২ বছর পূর্বে মাদ্রাসা থেকে পদত্যাগ পূর্বক অন্যত্রে চলে গেছে। তৎমধ্যে নিম্নবর্ণিত 7জনের বর্তমান অবস্থা যথাক্রমে-
১-মুহাম্মদ ইসমাঈল, সহসুপার, কুতুবদিয়া আল ফারোক আদর্শ দাখিল মাদ্রাসা।

২- জসিম উদ্দিন, শিক্ষক, পিএমখালী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়,

৩- মুদাচ্ছির মোরাদ, প্রধান শিক্ষক, চকারিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

৪- আলী আকবার, সহকারী শিক্ষক, টেকনাফ উচ্চ বিদ্যালয়।

৫- মোঃ হাসান, অফিসার ফারইস্ট ইসলামি লাইফ ইনন্সুরেন্স কোম্পানী লিঃ টেকনাফ।

৬- জাহাঙ্গীর হোছাইন, অফিসার ফারইস্ট ইসলামি লাইফ ইনন্সুরেন্স কোম্পানী লিঃ উখিয়া।
অন্যরা বর্তমানে কোথায় তা আমার জানা নেই।

অপর দিকে আমাকে ২০০৩ সালে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রকৃত পক্ষে আমি উক্ত মাদ্রাসায় সুপার হিসেবে যোগদান করেছি ০১-০৬-২০১০ তারিখে।

মূলকথা হলো মাদ্রাসাটি ১৯৫৭সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও দীর্ঘ ৬৩ বছর পর বর্তমান কক্সবাজার সদর রামুর জনপ্রিয় জাতীয় সংসদ সদস্য জনাব আলহাজ্ব সাইমুম সরওয়ার কমল ও দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নের জনপ্রিয় চেয়্যারম্যান জনাব আলহাজ্ব ইউনুছ ভূট্টো’র একান্ত প্রচেষ্টায় মাদ্রাসাটি এমপিও ভূক্তি হয়েছে। আমার এবং মাদ্রাসার কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারী ও পার্শ্ববর্তী শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিবর্গের সার্বিক প্রচেষ্টায় বর্তমান এডহক কমিটির সভাপতি হিসাবে বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা কর্তৃপক্ষ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও জননেত্রী শেখ হাসিনার আস্তার প্রতিক জনাব ইউনুছ ভূট্টোকে সভাপতি হিসেবে মনোনয় দেওয়ায় মাদ্রাসার স্বার্থ বিরোধী মহল নতুনভাবে ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে উক্ত সংবাদ পরিবেশনে ইন্ধন যুগিয়েছে বলে আমি বিশ্বাস করি। তাই আমি ভবিষ্যতে সংবাদ কর্মীদেরকে বস্তুনিষ্ট সংবাদ পরিবেশণ করার জন্য বিশেষ অনুরোধ করছি। উল্লেখ্য যে, বর্তমান সভাপতি হুমকির কারণে উল্লেখিত পদত্যাগ কারী শিক্ষকরা মাদ্রাসায় যেতে পারছেনা বলে উল্লেখ করা হয়েছে। যা সম্পূর্ণ হাস্যকর। কারণ তিনি সভাপতি হয়েছে বিগত ২৪/0৩/২০২০ তারিখে।

প্রতিবাদকারী-
মোঃ আবুল কালাম,
সুপার
দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •