বিশেষ প্রতিবেদক:
বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাস (কোভিট-১৯)সংক্রমণে উদ্ভুত পরিস্থিতিতে সারাদেশেই ঘরবন্দী মানুষকে সরকার কর্তৃক নানা মানবিক সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। আর এই কর্মসূচি বাস্তবায়নে তৈরি হচ্ছে উপকারভোগীর তালিকাও। উপকারভোগীর তালিকা প্রণয়নে সরকারের শীর্ষমহল থেকে দুর্নীতি,অনিয়ম ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে কঠোর বার্তা দেয়া হলেও তা অনেক এলাকায় রক্ষিত না হওয়ার অভিযোগ উঠছে। তেমনই একটি এলাকা উখিয়ার হলদিয়া পালং ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড। এখানে জনসংখ্যা অনুপাতে উপকারভোগীর সংখ্যা নির্ধারণে চরম বৈষম্যের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
খোঁজ-খবর নিয়ে জানা গেছে – দেশে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার পর থেকে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রাণালয় ও বিভাগ দুর্যোগকালীন ঘরবন্দী মানুষের জন্য খাদ্যসহ নানা মানবিক সহায়তা নিয়ে এগিয়ে অাসে।তারই অংশ হিসেবে উখিয়ার হলদিয়া পালং ইউনিয়নেও এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকে। কিন্তু এই মানবিক সহায়তা কর্মসূচির ছিঁটে-ফোটাও ছোঁয়া লাগেনি ইউনিয়নটির প্রায় দশ হাজার অধ্যুষিত ৭ টি গ্রাম নিয়ে গঠিত ৮নং ওয়ার্ডের মানুষের কপালে। সরেজমিন এলাকার সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলে জানা গেছে করোনা দুর্যোগকালীন সময়ে তাদের নানা অসায়ত্বের কথা।তারা এই প্রতিবেদককে এই পর্যন্ত কোন সাহায্য-সহযোগিতা না পাওয়ার কথাই ব্যক্ত করেছেন অকপটে।এই ব্যাপারে অত্র এলাকার জনপ্রতিনিধি স্বপন শর্মা রনি অভিযোগ করে বলেছেন-করোনা মহামারি শুরু হওয়ার পর থেকে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রাণালয় ও বিভাগ উখিয়া উপজেলার ঘরবন্দী মানুষের সাহায্য -সহযোগিতায়
এগিয়ে অাসলেও তার এলাকাটি শুরু থেকেই বৈষম্যের শিকার হচ্ছে। আর এই বৈষম্যের জন্য তিনি হলদিয়া পালং ইউনিয়ন পরিষদে গড়ে উঠা একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেটকেই দায়ি করেছেন।

এই ব্যাপারে উখিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যক্ষ হামিদুল হক চৌধুরী বলেছেন-তিনি বিষয়টি শুনেছেন।এব্যাপারে তিনি খোঁজ-খবরও নিচ্ছেন। করোনা দুর্যোগে সরকারের মানবিক সহায়তায় কোন এলাকা যদি বৈষম্যের শিকার হয় তা নিরসনের জন্য দ্রুত প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে।তিনি বলেন দেশের এই সংকটময় মুহুর্তে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অান্তরিকতাকে কেও প্রশ্নবিদ্ধ করতে চাইলে তা সহ্য করা হবেনা।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •