এম.জিয়াবুল হক,চকরিয়া :

করোনা সংক্রমণের কবল থেকে চকরিয়া উপজেলার ১৮টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার সাত লাখ মানুষের সুরক্ষা নিশ্চিতে অবশেষে ঈদুল ফিতর পর্যন্ত সকল ধরণের বিপনী বিতান বন্ধ রাখার সিদ্বান্ত হয়েছে। স্বাধীন মঞ্চসহ একাধিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের আবেদনের প্রেক্ষিতে মার্কেট মালিক, ব্যবসায়ী সমিতির সঙ্গে মতবিনিময় শেষে চকরিয়া উপজেলা প্রশাসন ও চকরিয়া পৌরসভা কর্তৃপক্ষ এই সিদ্বান্তে উপনীত হয়েছেন।

এব্যাপারে বৃহস্পতিবার চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে প্রথম অনুষ্ঠিত হয়েছে মার্কেট মালিক, ব্যবসায়ী সমিতির কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা। পরবর্তীতে শুক্রবার ৮ মে বিকালে চকরিয়া পৌরশহরের একটি মার্কেটে অনুষ্ঠিত হয়েছে মার্কেট মালিক ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে প্রশাসনের দ্বিতীয় মতবিনিময় সভা।

এতে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন চকরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ ফজলুল করিম সাঈদী, চকরিয়া পৌরসভার মেয়র আলমগীর চৌধুরী, ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি রেজাউল হক সওদাগর, পৌরসভার কাউন্সিলর রেজাউল করিম ও কাউন্সিলর মুজিবুল হক মুজিব, ব্যবসায়ী নেতা ফোরকানুল ইসলাম চৌধুরী খোকা, আজিজুল হক। সভায় ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দের উপরোক্ত সিদ্ধান্ত নেওয়াসহ ঈদ পর্যন্ত বিপণিবিতান বন্ধের চূড়ান্ত ঘোষণা দেওয়া হয়। এসব বিষয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সৈয়দ শামসুল তাবরীজের মাধ্যমে জেলা প্রশাসককে অবহিত করা হয়।

অনুষ্ঠিত সভায় পৌরসভার বাইরে বসবাসকারী দোকান কর্মচারীদেরকে চকরিয়া উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে ঈদ উপহার দেওয়ার ঘোষণা দেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ফজলুল করিম সাঈদী।

অনুষ্ঠিত সভায় চকরিয়া পৌরশহর চিরিঙ্গা শতাধিক বিপণিবিতানসহ উপজেলার মার্কেটগুলো বন্ধের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছেন ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ ও মার্কেট মালিকেরা। একইসঙ্গে দুইমাসের দোকান ভাড়া মওকুফ করারও সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মার্কেট মালিকেরা। এতে সাধারণের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে আগামী ঈদ পর্যন্ত বিপণিবিতানগুলো বন্ধের ঘোষণা দেওয়ায়। সভায় বিপণিবিতানগুলোর নিরাপত্তারক্ষীদের (দারোয়ান) বেতন পৌরসভার পক্ষ থেকে দেয়ার ঘোষনা দেন পৌর মেয়র আলমগীর চৌধুরীর পক্ষ থেকে।

চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সৈয়দ শামসুল তাবরীজ বলেন, ‘আগামী ঈদের আগ পর্যন্ত চকরিয়ায় কোনো বিপণিবিতান না খোলাসহ দুইমাসের দোকান ভাড়া মওকুফ ছাড়াও দোকান কর্মচারীদের ঈদ উপহার এবং দারোয়ানের বেতন দেওয়ারও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে।’

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •