মুহাম্মদ আবু সিদ্দিক ওসমানী :

বুধবার ৬ মে করোনা ভাইরাস জীবাণু সনাক্ত হওয়া কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যম মোক্তারকুল গ্রামের রোগীটি ৮মে শুক্রবার সকালে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে থেকে পালিয়ে এসেছিলো। তাকে ধরে ৮মে শুক্রবার রাত পৌনে ১২টার দিকে রামু ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে দেওয়া হয়েছে।

বিষয়টি রামু ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতালের সদস্য সচিব ডা. নোবেল কুমার বড়ুয়া শুক্রবার রাতে সিবিএন-কে নিশ্চিত করেছেন।

৫৫ বছর বয়সী মোক্তারকুল মসজিদের সামনের উক্ত মুদির দোকানদারের শরীরে গত ৬ মে করোনা ভাইরাস জীবাণু সনাক্ত হওয়ার পর তাকে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা দেওয়ার জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল থেকে প্রেরণ করা হয়েছিলো। পরদিন ৭ মে উক্ত করোনা রোগীর স্ত্রীর শরীরেও করোনা ভাইরাস জীবাণু সনাক্ত হলে তাকে রামু ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতালে ভর্তি করা হয় হয়। স্ত্রী রামুতে ভর্তি হওয়ার খবর শুনে উক্ত মুদির দোকানদার করোনা ভাইরাস আক্রান্ত রোগী চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল থেকে ৮মে সকালে পালিয়ে কক্সবাজার চলে আসে। চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ উক্ত রোগী পালিয়ে আসার খবর শুক্রবার কক্সবাজার স্বাস্থ্য বিভাগ কর্তৃপক্ষকে অবহিতি করে।

কক্সবাজার স্বাস্থ্য বিভাগ কর্তৃপক্ষ ঝিলংজা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান টিপু সুলতান সহ তাকে হন্য হয়ে খুঁজতে খুঁজতে রাত সাড়ে ১০ টার দিকে তার সন্ধান পায়। পরে তাকে বুঝিয়ে তার স্ত্রী যেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছে, সেই রামু ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতালে নিয়ে তাক শুক্রবার রাত পৌনে ১২টার দিকে ভর্তি করিয়ে দেওয়া হয়।

বর্তমানে রামু ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতালে ২২ জন করোনা ভাইরাস আক্রান্ত রোগী চিকিৎসাধীন আছেন বলে রামু উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নোবেল কুমার বড়ুয়া জানিয়েছেন। তিনি জানান, সীমিত জনবল ও সীমিত অবকাঠামোগত সুবিধা নিয়ে তারা রোগীদের সুস্থ করে তুলতে নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছেন। তার ফলশ্রুতিতে গত ৩ দিনে মোট ৯ জন করোনা রোগী রামু ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতাল থেকে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •