মুহাম্মদ আবু সিদ্দিক ওসমানী :

কক্সবাজারে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়া আরো ৬ জন রোগী ভয়ংকর করোনাকে জয় করে বাড়িতে ফিরছেন। তাদের মধ্যে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মহিলা চিকিৎসক ডা. নাঈমা সিফাত ৬মে সুস্থ হয়ে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল থেকে গত রাতে রিলিজের পর চট্টগ্রামের বাড়িতে ফিরেছেন।

অবশিষ্ট ৫ জন রামু ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে ৭ মে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টার দিকে হাসপাতাল থেকে রিলিজ করা হয়েছে। সুস্থ হওয়া এ ৫জনের মধ্যে ১ জন হলেন-উখিয়া উপজেলার রত্নাপালং ইউনিয়নের হাজীর পাড়ার বানু বিবি।টেকনাফ উপজেলার বাহারছরা ইউনিয়নের মারিশবনিয়া গ্রামের আম ব্যবসায়ী মোহাম্মদ হোছাইন, কক্সবাজার পৌরসভার টেকপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রোডের বাসিন্দা আবুল কালাম, রামু উপজেলার কাউয়ার খোপ ইউনিয়নের গাছোয়া পাড়ার বাসিন্দা সালেহ আহমদ, মহেশখালী উপজেলার কালামারছরা ইউনিয়নের বাহদুর আলম। করোনা জয় করা এ ৫ জনকে রামু ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতাল থেকে রিলিজ করে আনুষ্ঠানিক বিদায় দেওয়া হয়েছে বলে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য সচিব ডা. নোবেল কুমার বড়ুয়া সিবিএন-কে জানিয়েছেন।

সুস্থদের বিদায় দেওয়ার সময় ৫০শয্যা বিশিষ্ট করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা কমিটির আহবায়ক সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আলী এহসান চৌধুরী, কমিটির সদস্য সচিব রামু উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ নোবেল কুমার বড়ুয়া, আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার আবদুল্লাহ আল কাওসার, মেডিক্যাল অফিসার অলিউর রহমান সহ সকল মেডিক্যাল অফিসার সহ অন্যান্যরা উপস্থিত থেকে তাদেরকে ফুল ও শুভেচ্ছা উপহার দিয়ে বিদায় জানান।

এনিয়ে কক্সবাজার জেলায় করোনা আক্রান্ত হওয়া ৭০ জন রোগীর মধ্যে মোট ১৪ জন করোনা রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলো।
কক্সবাজারের রামু’র কাউয়ার খোপ ইউনিয়নের পূর্ব কাউয়ার খোপের ছেনুয়ারা বেগম নামক একজন মহিলা করোনা রোগী গত ৩০ এপ্রিল কক্সবাজার সদর হাসপাতালে মারা গেছেন।

অবশিষ্ট ৩৫ জন করোনা রোগী বিভিন্ন করোনা হাসপাতাল ও সেল্ফ আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এরমধ্যে ১৬ জন করোনা রোগী রামু ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতালে ও ৫ জন করোনা রোগী চকরিয়া ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। বৃহস্পতিবার ৭ মে সনাক্ত হওয়া ১৯ জন করোনা রোগীর চিকিৎসা কোথায় হবে তা এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে সংশ্লিষ্ট সুত্র জানিয়েছেন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •