৪ মে আলোকিত উখিয়া ডটকম অনলাইনে “কে এই সুভাষ মল্লিক? তার খুঁটির জোর কোথায়?” শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে।

উক্ত সংবাদের আমি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এটি শাক দিয়ে মাছ ডাকার মত একটি কাল্পনিক ঘটনা। নিউজে আমাকে জড়িয়ে যে গল্পকাহিনী তৈরি করা তা মিথ্যা ও ভুয়া এবং মানহানিকর।
নিউজে বলা হয়েছে, আমি সুভাষ মল্লিক লকডাউন অমান্য করে গোপনে বাড়ির সীমানা দেওয়াল নির্মান করার জের ধরে আমার নেতৃত্বে শিমুল মল্লিক, বাবুর মল্লিক, নিতা মল্লিকসহ অজ্ঞাত আরো ৪/৫ জন লোক নিয়ে হুমকি-ধমকি ও তার স্বামীকে নাজেহাল ও ঘরের আসবাবপত্র, দরজা, জানালা ভেঙ্গে ত্রিশ হাজার টাকা ক্ষতি করেছি দাবী করা হয়েছে। সেটি পুরোপুরি একটি মিথ্যা ও বানোয়াট ঘটনা। এরকম কিছু হয়ে থাকলে এলাকাবাসী জানত এবং দেখতো। লকডাউন অমান্য করে বাউন্ডারি নির্মাণতো দুরের কথা, যেখানে আমার কোন জায়গা পর্যন্ত নেই। সংশ্লিষ্ট প্রশাসন বিষয়টি তদন্ত করলে ঘটনাটি মিথ্যা প্রমানিত হবে। এটি একটি সম্পুর্ণ সাজানো ঘটনা ছাড়া আর কিছু নয়।

সংবাদে আমাকে ৪/৫ কোটি টাকার মালিক বানানো হয়েছে অথচ আমি একজন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী। নিজের অপকর্ম ঢাকতে সমাজ উন্নয়ন কমিটির সেক্রেটারীর পদ কিনে তা অসৎভাবে ব্যবহার করে আসছি বলে উক্ত সংবাদে উল্লেখ করা হয়েছে, তাও ডাহা মিথ্যা কথা।

আসল ঘটনা হলো, আমি দীর্ঘদিন ধরে মল্লিকপাড়া সমাজ উন্নয়ন কমিটির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে আছি। মুলতঃ শিবু মল্লিকের স্বামী রাজকুমার মল্লিক কক্সবাজার পুলিশ সুপার কার্যালয়ে ও তার দুই ছেলে শিপ্লব মল্লিক বান্দরবানে এবং বিপ্লব মল্লিক টেকনাফ থানায় চাকুরী করার কারণে প্রভাব দেখিয়ে সমাজে বিভিন্ন ধরনের ঘটনার জন্ম দিয়েছে। সমাজের কোন নিয়মনীতিকে তোয়াক্কা করছে না। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে মদ ও সুদের ব্যবসা, চুরি ও মারামারি, বাসায় ইয়াবা সেবনের ডেরা করার অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে। যা সমাজে বিচারাধীন। এই সমস্ত অভিযোগের বিষয়ে তাকে সমাজের বিচারে ডাকা হলেও অদৃশ্য শক্তির ইশারায় সে ও তার পরিবার হাজির হচ্ছে না। বরং সমাজের আইনকে বৃদ্ধাঙ্গলী দেখাচ্ছে। এদিকে তার শিবু মল্লিকের বিরুদ্ধে আদালতেও দুটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। শিবু মল্লিক একজন মহিলা হয়ে সমাজের অপুরণীয় ক্ষতি করেছে। তাই সমাজের শান্তি, শৃংখলা রক্ষার্থে সমাজ কমিটির সর্বশেষ বৈঠকে গতমাসে তার পরিবারকে সমাজচ্যুত করে একঘরে করার সিদ্ধান্ত হয়। আমরা সমাজ কমিটি বিষয়টি প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে দরখাস্ত দিয়েও জানিয়েছি। এমনকি স্থানীয় বিভিন্ন পত্রিকা ও অনলাইনে নিউজ আকারে প্রকাশ করেছি। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মিথ্যা ঘটনা সাজিয়ে আলোকিত উখিয়া অনলাইনে সংবাদ পরিবেশন করায়। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনসহ এলাকাবাসীকে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।

প্রতিবাদকারীঃ

সুভাষ মল্লিক, সাধারণ সম্পাদক,

মল্লিকপাড়া সমাজ উন্নয়ন কমিটি,
বিজিবি ক্যাম্প,কক্সবাজার পৌরসভা।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •