শাহেদ মিজান, সিবিএন:

টানা ১৯ দিন লড়াই করে অবশেষে করোনার কাছে হার মানতে হলো মক্কাপ্রবাসী কক্সবাজার সদরের ভারুয়াখালীর মোঃ তারেকও। ৪ মে ভোর পৌনে ৫টার সময় মক্কার কিং আব্দুল আজিজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় মারা যান তিনি (ইন্নালিল্লাহি —-রাজেউন)। তিনি ভারুয়ালখালীর হাজীপাড়াস্থ রমজান আলীর পুত্র।

এর আগে গত ১৮ এপ্রিল করোনা মারা যান তার দুলাভাই ও সহকর্মী খুরুশ্কুলের তেতৈয়া এলাকার বাসিন্দা খোরশেদ আলম (৫৫)। কয়েকদিনের ব্যবধানেই দুইজন করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন।

মরহুমের চাচাতো ভাই কক্সবাজার বারের আইনজীবি নেজামুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এড. মুহাম্মদ নেজামুল হক সিবিএনকে জানান, মারা যাওয়া খোরশেদ আলম দীর্ঘদিন সৌদি আরবের মক্কায় থাকতেন। তিনি সেখানে একটি সুপার শপ পরিচালনা করতেন। তার মাধ্যমে তার শ্যালক মোঃ তারেকও সৌদি আরব যায় এবং দুজইন একই দোকান পরিচালনা করতো। দেড় মাস আগে ছুটি কাটিয়ে সৌদি ফিরে যান খোরশেদ আলম। মারা যাওয়ার ১৪ দিন আগে তার করোনা ভাইরাস ধরা পড়ে। তার কয়েকদিন পর মোঃ তারেকও করোনায় আক্রান্ত হন।

এড. মুহাম্মদ নেজামুল হকের দেয়া তথ্য মতে, খোরশেদ আলমের সাথে থাকা তার শ্যালক মোঃ তারেকও ওনার কয়েকদিন পর করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হন। শেষ মুহূর্তে এসে তার অবস্থারও গুরুতর হওয়া তাকে কিং আব্দুল আজিজ হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। সেখানে টানা ১৯দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর তিনি মৃত্যুর কাছে হার মানলেন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •