ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন

 

করোনাভাইরাস বিস্তার রোধে অস্ট্রেলিয়ায় ব্যবহৃত হচ্ছে কভিডসেফ মোবাইল অ্যাপস। ব্লুটুথের মাধ্যমে এই অ্যাপসটি করোনা সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহ করে থাকে।

অ্যাপস ব্যবহারকারীকে চিহিৃত করার জন্য সবাইকে একটি করে ইউনিক কোড দেয়া হয়। যেমন ধরুণ আপনি কারো সাথে দেখা করলেন। আপনাদের দু’জনের মোবাইলে যদি এই অ্যাপস থাকে তাহলে দেড় মিটার দুরত্বের মধ্যে আসলেই কভিডসেফ ওই ব্যক্তির ইউনিক কোড সনাক্ত করে তারিখ, সময়, দুরত্ব এবং কতক্ষণ ধরে আপনারা একে অপরের সংস্পর্শে ছিলেন তা ফোনে সংরক্ষণ করবে।

আবার করোনা পজিটিভ ব্যক্তির ‘খুব কাছে’ করোনামুক্ত মোবাইল ব্যবহারকারী ১৫ মিনিটের বেশি সময় পার করলে নোটিফিকেশন যাবে। এই তথ্য ফোনে ঢুকে কেউ দেখতে পারবেনা এবং ২১ দিন পর পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডিলিট হয়ে যাবে।

এভাবে কভিডসেফ দিয়ে একজন করোনা পজিটিভ রোগীর সংস্পর্শে কারা এসেছিল তা খুব তাড়াতাড়ি বের করা যায়। এই অ্যাপস ব্যবহারকারী কেউ করোনা পজিটিভ হলে অস্ট্রেলিয়ার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ সাথে সাথে যারা রোগীর সংস্পর্শে এসেছিল তাদের সতর্ক করে দিয়ে কি করতে হবে তা জানিয়ে দেয়।

সিঙ্গাপুর, চীন, দক্ষিণ কোরিয়া, হংকং সহ আরো বেশ কিছু দেশ এই ধরনের অ্যাপস ব্যবহার করছে। ইংল্যান্ড ও জার্মানীও সহসা এ ধরণের অ্যাপস চালু করবে বলে শোনা যাচ্ছে। লকডাউনের নিষেধাজ্ঞা শিথিল করে মানুষকে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক জীবনের ছন্দে ফিরিয়ে আনার জন্য কভিডসেফ বড় ভূমিকা রাখতে পারে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •