সোয়েব সাঈদ :
কক্সবাজারের রামুতে আগাছানাশক ছিটিয়ে ধান ক্ষেত ধ্বংস করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। রামু উপজেলার জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়নের পশ্চিম নোনাছড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের দাবি জমি নিয়ে বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ধান ক্ষেত পরিদর্শন করেছেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মিজানুর রহমান।

এ ঘটনায় হতভম্ব হয়ে পড়েছেন, ওই এলাকার আবদুর রহমানের ছেলে কৃষক শাহ আলম। এর প্রতিকার চেয়ে তিনি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, রামুর চাকমারকুল ইউনিয়নের দক্ষিণ শাহমদের পাড়া এলাকার মৃত আবদুল মজিদের ছেলে ফিরোজ মিয়া, ফিরোজ মিয়ার ছেলে নাছির উদ্দিন ও চাকমারকুল আলী হোসেন সিকদার পাড়া গ্রামের মৃত মো. হাসানের ছেলে আবদুর রহিম ধান ক্ষেত নষ্ট করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে জমিতে গত ২৮ এপ্রিল রাতে আগাছানাশক (ক্ষতিকর কীটনাশক) ছিটিয়ে দেন। পরদিন জমির ধান ক্ষেত কীটনাশকের প্রভাবে বিবর্ণ হতে শুরু করে। এতে ৩০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন কৃষক শাহ আলম। তিনি আরো জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা ইতিপূর্বে এ জমি জবর-দখলের চেষ্টা চালালে তিনি আইনী ব্যবস্থা গ্রহন করেন। জবর-দখলে ব্যর্থ হয়েই বিষ ছিটিয়ে পাকা ধান ক্ষেত পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় ৩০ এপ্রিল রামু উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রণয় চাকমার কাছে লিখিত অভিযোগ দেন ক্ষতিগ্রস্ত শাহ আলম। উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বৃহষ্পতিবার দুপুরে ক্ষতিগ্রস্ত ধান ক্ষেত দেখতে যান।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, ওই জমিতে আগাছানাশক দিয়ে ধান ক্ষেত বিনষ্ট করার প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে। অতিরিক্ত আগাছানাশক দেয়ায় ক্ষেতের ধান পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে জানানো হয়েছে।

রামু উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রণয় চাকমা জানিয়েছেন, এ ব্যাপারে তদন্ত চলছে। ধান ক্ষেত বিনষ্ট করার প্রমাণ পেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •