বার্তা পরিবেশক :

বিশ্বজুড়ে ভয়াবহ আকার ধারণ করা মহামারী করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব মোকাবেলায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। একই সঙ্গে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের না হতে এবং জরুরী প্রয়োজনে নির্দিষ্ট দোকানপাট ছাড়া সব ধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে। এ পরিস্থিতিতে জনগণকে সচেতন রাখার অংশ হিসেবে পর্যটন নগরী কক্সবাজার জেলা ও বৃহত্তর চট্টগ্রাম জেলার আটটি উপজেলায় বেসামরিক প্রশাসনকে সহযোগিতার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১০ পদাতিক ডিভিশন তাদের সার্বিক কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।

লকডাউন এর শুরুতে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ করোনা মোকাবেলার সম্মুখযুদ্ধে অংশ নিতে সশস্ত্র বাহিনীর প্রস্তুতি সম্পর্কে জানিয়ে স্পষ্ট ভাষায় বলেন “আমরা সৈনিক, আমরা সব সময় যুদ্ধ করতে প্রস্তুত এবং সেই প্রস্তুতি নিয়ে আমরা আছি। সবাইকে সহযোগিতা করব।”

তার এই বক্তব্যের প্রতিফলন ঘটেছে কক্সবাজারেও সেনাবাহিনীর যাবতীয় কার্যক্রমে।

শুক্রবার (১ মে) দক্ষিণ চট্টগ্রামের চারটি উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকায় সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে কর্মহীন হতদরিদ্র মানুষের কাছে ত্রাণ পৌঁছে দিয়েছে সেখানে দায়িত্বে থাকা রামু সেনানিবাসের সেনাসদস্যরা। তারা আত্ম মানবতার সেবায় নিজেদের রেশন বাঁচিয়ে চাল, ডাল, আটা, আলু, পিয়াজ, তেল লবণসহ নিত্য প্রয়োজনীয় খাবার সামগ্রী বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রকৃত অভাবগ্রস্ত, ছিন্নমূল, অসহায় মানুষদের হাতে পৌঁছে দেন। বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া অদৃশ্য করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সম্যক জ্ঞান ও সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রয়োজনে কাউকে ঘর থেকে বের না হওয়ার অনুরোধ করেন সেনা জওয়ানরা।
তারা বেশি বেশি হাত ধোয়া, মাক্স ব্যবহার ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে অনুরোধ করেন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •