আমি ৫নং বাহারছড়া ইউনিয়নের ১,২ ও ৩ নং ওয়ার্ডের মহিলা মেম্বার, প্যানেল চেয়ারম্যান-৩ ও টেকনাফ উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন-সাধারন সম্পাদিকা, এবং টেকনাফ উপজেলা শ্রমিক কর্মচারী পেশাজীবি মুক্তিযুদ্ধ সমন্বয় পরিষদ এর সভাপতি হই।
গত ২৩ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) টেকনাফ টুডে,লন্ডন টাইম নিউজ, চ্যানেল-৮, উখিয়া সংবাদ ডটকম নামক অনলাইন নিউজ পোর্টালে ৭৬ জনের কন্ডোলের চাউল নিয়ে দুর্নীতি শীর্ষক নিউজে স্বজন প্রীতিমুলক ও টাকা নিয়ে ত্রাণ বিতরণ সংবাদটি আমার দৃষ্টি গোচর হয়েছে।
যা ডাহা মিথ্যা, বানোয়াট, উদ্দেশ্য প্রনোদিত ও মানহানিকর।
আমি জনপ্রতিনিধি হিসেবে জানাচ্ছি যে, উপজেলা থেকে আসা ১০ টাকা দামের কন্ডোলের চাউলের তালিকা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সচিবের স্বাক্ষরিত হয়ে স্থানীয় চাউলের ডিলারের কাছে চলে যায়। তা নিয়ে তারা চাউল বিক্রি ও বিতরণ করে। তালিকায় নামের পাশে ক্রস দেওয়া বা কাউকে হস্তক্ষেপ করার আমার কোন এখতিয়ার নাই। সেই সাথে পরিষদ থেকে আমরা অল্প সংখ্যক ত্রাণ পাই, যা দিয়ে আমাদের সব ওয়ার্ডের মানুষের দেওয়া সম্ভব নয়। আমি দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে গরীব ও অসহায় লোক দেখে এসব ত্রাণ বিতরণ করে আসছি।
এলাকায় আমার কিছু রাজনৈতিক ও পারিবারিক শত্রু আমার সততা ও জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও বানোয়াট কথা বলে মানহানির চেষ্টা করে আসছে।

আমার স্বামী শামসুদ্দীন আহমদ বাহারছড়া ইউনিয়নের উত্তর শিলখালী ০৩ নং ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার, সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, এবং নবাব সিরাজউদ্দৌলা পদক-২০১৩ প্রাপ্ত বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ প্যানেল চেয়ারম্যান এবং স্বদেশ এন্টারপ্রাইজের প্রকল্প পরিচালক। আমার স্বামীর ৫৫ কানি লবণের চাষ, এবং ৫৫ কানির একটা মাছের প্রজেক্ট রয়েছে। বিভিন্ন জয়গা-জমি, দোকান-পাট সহ ব্যবসা-, বাণিজ্য রয়েছে। আমার ছেলেরও বিভিন্ন অনলাইন ব্যবসা রয়েছে। সাগর কন্ঠ স্টুডিও ও কম্পিউটার এর স্বত্তাধীকারী আমার ছেলে। রাজনৈতিক ভাবে হেয়-প্রতিপন্ন করতে আমার বিরুদ্ধে এসব অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে আমার রাজনৈতিক ও পারিবারিক শত্রুরা।
আমি উক্ত নিউজের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

রাজনীতির বয়সে শত্রুতার জের ধরে অনেকে আমার ও আমার পরিবারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে আসছে। শত্রুদের একটি অভিযোগ পেয়ে উপজেলা থেকে তদন্তে এসে তা মিথ্যা ও বানোয়াট হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। উপজেলা ‘একটি বাড়ি একটি খামার’ এর অফিসার মোঃ সানা উল্লাহ কর্তৃক অভিযোগটি যাচাই করে মিথ্যা প্রমাণিত হয়। আমি সে বিষয়ে সবাইকে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহবান জানাচ্ছি।

এবং জেনে শুনে হাতে নাতে প্রমান নিয়ে নিউজ করার জন্য সাংবাদিক ভাইদের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। অন্যতায় আমার নিজ পরিবারের মানহানির দায়ে তথ্য প্রযুক্তি আইন-২০০৯ ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করতে বাধ্য থাকবো।

নিবেদক
আনোয়ারা বেগম
মহিলা মেম্বার
১,২ ও ৩ নং ওয়ার্ড, ৫নং বাহারছড়া ইউনিয়ন পরিষদ, টেকনাফ।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •