করোনাভাইরাসসহ যেকোনো ধরনের সংক্রমণ রোধে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অবশ্যই উন্নত হতে হবে।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো থাকলে যেকোনো রোগ থেকে দূরে থাকতে পারবেন অনায়াসে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বা ইমিউনিটি সাধারণত তিন ধরনের হয়। প্রথমটি হলো প্রাকৃতিক। অর্থাৎ শিশু জন্মের সময় যে ইমিউনিটি নিয়ে জন্মায়। দ্বিতীয়টি হলো অ্যাডাপটিভ। অর্থাৎ সারা জীবন ধরে যে ইমিউনিটি গ্রহণ করে মানুষ। আর তৃতীয়টি হলো প্যাসিভ বা বরোড ইমিউনিটি। শিশুদের ক্ষেত্রে যা হলো মাতৃদুগ্ধ।

ইমিউনিটি হলো আপনার শরীরের ডিফেন্স সিস্টেম। যেকোনো রকম ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করার শক্তি দেবে ইমিউনিটি। সঠিক খাবার, পরিমাণ মতো ঘুম আর শরীরচর্চা ইমিউনিটি বাড়াতে সাহায্য করে। খাদ্য তালিকায় তাই যোগ করুন আরও কিছু খাবার-

প্রতিদিন যদি ৬০ গ্রাম করে আমন্ড খেতে পারেন, তাহলে শরীরে ভিটামিন ই যাবে অনেকটা। প্রাকৃতিকভাবেই বাড়বে ইমিউনিটি।

Khabar-1

প্রতিদিন কয়েক কোয়া রসুন খেতে পারলে খুব উপকার। এর মধ্যে বিভিন্ন রকমের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। যা সরাসরি ব্যাকটেরিয়ার সঙ্গে লড়াই করতে পারে। রান্নার মধ্যে দিয়েও রসুন খাওয়া ভালো। কিন্তু কাঁচা খেলে উপকার বেশি।

ঘি কিন্তু প্রাকৃতিকভাবে ইমিউনিটি বাড়ায়। অন্তত এই মুহূর্তে মোটা হওয়ার চিন্তা ছেড়ে দিন। ঘিতে ফ্যাট থাকে ঠিকই। শরীরচর্চা করে সেই এক্সট্রা ফ্যাট ঝরিয়ে নিন। কিন্তু ইমিউনিটি বাড়াতে ঘি খেতেই হবে।

অ্যান্টি অক্সিডেন্ট বা অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান হিসেবে হলুদের নাম আপনি নিশ্চয়ই জানেন। কাঁচা হলুদ পানিতে গুলে খেতে পারেন। রান্নায় তো হলুদ নিশ্চয়ই খান। কিন্তু কাঁচা খেলে ইমিউনিটি দ্রুত বাড়বে।

আদা ইমিউনিটি বাড়াতে অত্যন্ত সাহায্য করে। কাঁচা চিবিয়ে খেতে পারেন। অথবা চায়ের মধ্যে দিয়ে খান।

Khabar-2

বাড়িতে তৈরি দই বা ইয়োগার্ট খেতে পারেন। দুগ্ধজাত বিভিন্ন প্রোডাক্টের মধ্য দই দ্রুত ইমিউনিটি বাড়ায়।

সবুজ সবজি বা বিভিন্ন রকমের ফল সব সময়ই ইমিউনিটি বাড়ায়। এখন হয়তো সব কিছু পাচ্ছেন না অনেকে। তবুও পেঁপে, কিউয়ি যদি খেতে পারেন সেটা ভাল।

কফি নয়, আপাতত চা খাওয়ার অভ্যাস করুন। গ্রিন টি খেতে পারলে সবচেয়ে ভালো। ইমিউনিটি দ্রুত বাড়বে।

উপরের তালিকার সব খাবার যদি খেতে পারেন, তাহলে সবচেয়ে ভালো ফল পাবেন, এ কথা সত্যি। কিন্তু সব না থাকলেও কয়েকটা জিনিস যদি খেতে পারেন, তাহলেও উপকার হবে। এর মধ্যে কিছু জিনিস প্রত্যেকের বাড়িতে থাকে। আলাদা করে জোগাড় করতে হবে না। ফলে এই সব খাবার মেনুতে যোগ করুন। ইমিউনিটি বাড়ান। সুস্থ থাকুন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •