সারাদেশে গার্মেন্টস খুলে দেয়া হচ্ছে আগামী ৫ মে থেকে।  যদিও এমন সিদ্ধান্তে আমাদের অনেকেই উদ্বিগ্ন।
অনেকেই বলছে গার্মেন্টস, পরিবহন খুলে দিলে করোনার প্রকোপ আরো বাড়বে। হ্যাঁ, শ্রমিকরা একসাথে কাজ করলে, নিজ এলাকা থেকে কর্মস্থলে ফিরলে ভাইরাস সংক্রমণ বাড়তে পারে। তবে সবকিছু বন্ধ রাখলেই যে করোনা কমে যাবে তাও নয়।
এক্ষেত্রে এটা মনে রাখতে হবে বাংলাদেশের বিভিন্ন কারখানা ও পরিবহনের সাথে লক্ষ লক্ষ শ্রমিকের জীবন জড়িত। এমনকি দেশের অর্থনীতি ও রপ্তানি নির্ভর।
বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন প্রতিযোগি দেশ তাদের কারখানা গুলো খুলে দিচ্ছে সীমিত পরিসরে উৎপাদন চালিয়ে যাওয়ার জন্য। এমতাবস্থায় বাংলাদেশ যদি উৎপাদন একদম বন্ধ রাখে তাহলে নিশ্চিত বাংলাদেশের নিয়মিত বাইয়ার দেশগুলো অন্যান্য দেশ থেকে আমাদানি শুরু করবে। যার ফলে দেশের গার্মেন্টস সেক্টরে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। শ্রমিকদের জীবন হুমকির মুখে পড়বে। কারণ সামান্য ত্রাণ দিয়ে শ্রমিকদের জীবন আর কতদিন চলবে? তাছাড়া দীর্ঘদিন উৎপাদন বন্ধ থাকলে দেশের অর্থনীতি ও লাটে উঠবে।
যেহেতু লকডাউন দিয়ে ও মানুষকে ঘরে রাখা যাচ্ছেনা সংক্রমণ বাড়ছেই তাই যথাযথ স্বাস্থ্য বিধি মেনে সীমিত পরিসরে হলেও দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যেতে হবে দেশের সামগ্রিক স্বার্থে।

মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম
শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
মোবাইলঃ 01303507421

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •