শাহেদ মিজান, সিবিএন:

জেলায় সর্বোচ্চ করোনা সংক্রমণ উপজেলা মহেশখালী। বহিরাগতদের মাধ্যইে এই উপজেলায় করোনা সংক্রমণ হয়েছে। করোনা সংক্রমণ হওয়ায় পানবাজারগুলো নিয়ে সামনের দিনগুলো মহা আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাই আপাতত বন্ধ রয়েছে পানবাজার। তবে পানের উপর নির্ভরশীল হওয়ায় বিশেষ ব্যবস্থায় পানবাজার চালু রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। প্রতিজনে পাঁচহাত দূরত্ব বজায় রেখে আগামী রোববার থেকে নিয়মিত পানবাজার চালু করা হবে। আজ বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

বাজারের ইজারাদার এবং পান ব্যবসায়ীদের নিয়ে আয়োজিত ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ রফিক, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোঃ মাহফুজুল হক, থানার ওসি প্রভাষ চন্দ্র ধর, প্রেসক্লাব সভাপতি মাহবুর রোকন এবং প্রতিটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান। সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ জামিরুল ইসলাম।
বেঠকে শুরুতে নিরাপদভাবে কিভাবে পানবাজার চালু করার বিষয়ে সবার মতামত গ্রহণ করা হয়। সবার মতামতকে সমন্বয় করে নিরাপদভাবে পানবাজার বসানো সিদ্ধান্ত হয়।

সিদ্ধান্ত মতে, পূবের্র দিন মতো উপজেলার সব পানবাজার চালু করা হবে। ক্রেতা এবং বিক্রেতার মধ্যে পাঁচহাত দূরত্ব বজায় রেখে বসাতে হবে বাজার। নিয়মিত বাজারে জায়গা সংকুলান না হলে বিকল্প বড় জায়গায় বাজার বসাতে হবে। পাঁচ হাত হিসাব করে দাগ দেয়া হবে। দূরত্ব বজায় নিশ্চিত করার জন্য পুলিশ, আনসার ও স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করা হবে। কোনো ক্রেতা বা বিক্রেতা দূরত্ব অমান্য করলে সাথে সাথে শাস্তির আওতায় আনা হবে।

অন্যদিকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ২০টি ট্রাক দিয়ে পানগুলো পরিবহণ করা হবে। তবে কোনো ব্যবসায়ী পানের সাথে যেতে পারবে না। তারা তাদের ব্যবসায়িক অংশীদারদের সাথে মোবাইলে যোগাযোগের মাধ্যমে পান বিক্রি করবেন। পানগুলো পৌঁছে দিয়ে এসে ট্রাকের চালক ও হেল্পারদের ১৪ দিনের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারাইন্টানে রাখা হবে। স্থানীয় চেয়ারম্যানদের তত্ত¡াবধানে প্রতিটি ইউনিয়নের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারাইন্টান সেন্টার খোলা হবে। সেখানে ট্রাকের চালক ও হেল্পারদের রাখা হবে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •