সংবাদ বিজ্ঞপ্তি:
দেশের সব অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বন্ধের সময় ৭ মে পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। আগে এই সময়সীমা ছিল ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত। তবে এই নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে চীনের ফ্লাইট। এ ছাড়া কার্গো, ত্রাণ-সাহায্য, এয়ার অ্যাম্বুলেন্স, জরুরি অবতরণ ও স্পেশাল ফ্লাইট পরিচালনার কার্যক্রম চালু থাকবে।

আজ সোমবার বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) এ তথ্য জানিয়েছে। এ নিয়ে চার দফা দফা নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়ানো হলো।

বেবিচকের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে যাত্রী পরিবহনের (সিডিউল প্যাসেঞ্জার ফ্লাইট) ক্ষেত্রে বিমান চলাচল নিষেধাজ্ঞা ৭ মে পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এ নিষেধাজ্ঞা আগের মতো বাহরাইন, ভুটান, হংকং, ভারত, কুয়েত, মালয়েশিয়া, মালদ্বীপ, ওমান, কাতার, সৌদি আরব, শ্রীলংকা, সিগাপুর, থাইল্যান্ড, তুরস্ক, ইউএই, ইউকে (মোট ১৬টি দেশ)-এর সঙ্গে বিদ্যমান বিমান চলাচল রুটের ক্ষেত্রে কার্যকর হবে। একইসঙ্গে অভ্যন্তরীণ যাত্রী পরিবহনের ক্ষেত্রেও বিমান চলাচল নিষেধাজ্ঞা আগামী ৭ মে পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়েছে। তবে কার্গো, ত্রাণ-সাহায্য, এয়ার অ্যাম্বুলেন্স, জরুরি অবতরণ ও স্পেশাল ফ্লাইট পরিচালনার কার্যক্রম চালু থাকবে।

করোনাভাইরাসের কারণে প্রথম ২১ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত যাত্রীবাহী সব বিমান সংস্থার ফ্লাইট চলাচল বন্ধের ঘোষণা দিয়েছিল বেবিচক। এরপর আরেক আদেশে এই সময়সীমা আরো সাত দিন বাড়িয়ে ৭ এপ্রিল এবং এরপর তা ফের বাড়িয়ে ১৪ এপ্রিল এবং তা বাড়িয়ে ৩০ এপ্রিল করা হয়েছিল। এবোর তা বাড়িয়ে ৭ মে করা হলো।

বেবিচকের আগের ঘোষণায় যুক্তরাজ্য, চীন, হংকংয়ের সঙ্গে যাত্রীবাহী ফ্লাইটগুলো সরাসরি চলবে বলে জানানো হয়েছিল। কিন্ত ওই ঘোষণার সাত দিনের মধ্যে বর্তমানে চীন ছাড়া বাকি তিনটি রুট বন্ধ করে দেয় এয়ারলাইনসগুলো। এখন শুধু চীনের গুয়াংজু রুটে ফ্লাইট চালু আছে। এই রুটে প্রতি সপ্তাহের শনিবার ফ্লাইট পরিচালনা করছে দেশিয় বিমান সংস্থা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •