মুহাম্মদ আবু সিদ্দিক ওসমানী :

উখিয়া ও টেকনাফের রোহিঙ্গা শরনার্থী ক্যাম্পের অভ্যন্তরে নির্মাণাধীন ১৯০০ শয্যার ১১ টি পৃথক আইসোলেশন ইউনিটের মধ্যে ২৩৪ শয্যা সম্পূর্ণ প্রস্তত করা হয়েছে। যে কোন সময় সেখানে ভাইরাস আক্রান্ত রোহিঙ্গা শরনার্থী রোগীর চিকিৎসা সেবা দেওয়া যাবে। ১৯ শ’ শয্যার আইসোলেশন ইউনিটের প্রস্তুত হওয়া ২৩৪ শয্যা সহ ১২৬৫ শয্যা আগামী ৭ মে’ র মধ্যে প্রস্তুত করার টার্গেট নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।

কক্সবাজার আরআরআরসি অফিসের প্রধান স্বাস্থ্য সমন্বয়কারী ডা. আবু তোহা এম আর ভূঁইয়া সিবিএন-কে সোমবার ২৭ এপ্রিল এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি আরো জানান, এই ১১ টি পৃথক আইসোলেশন ইউনিটে মোট ১৯০০ টি শয্যা রয়েছে। এসব আইসোলেশন ইউনিটে সরাসরি ভেন্টিলেটর সুবিধা নাথাকলেও সাধারণ অক্সিজেন সুবিধা থাকবে। ৩৪ টি রোহিঙ্গা শরনার্থী ক্যাম্প এলাকায় আইসোলেশন ইউনিট করার ইচ্ছে থাকলেও ক্যাম্প গুলো খুব ঘনবসতিপূর্ণ হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি বলে জানান প্রধান স্বাস্থ্য সমন্বয়কারী ডা. আবু তোহা এম আর ভূঁইয়া। স্বাস্থ্যগত নিরাপত্তার কারণে ক্যাম্প থেকে অপেক্ষাকৃত বিচ্ছিন্ন এলাকায় এ করোনা আইসোলেশন ইউনিট গুলো গড়ে তোলা হচ্ছে।

আরআরআরসি অফিসের প্রধান স্বাস্থ্য সমন্বয়কারী আরো বলেন, ১৯০০ শয্যার মধ্যে বাকী ৬৩৫ শয্যার নির্মাণ কাজও আগামী ২০ মে’র মধ্যে শেষ করা হবে ইনশাআল্লাহ।

করোনা ভাইরাস সংকট শেষ হলে এই আইসোলেশন ইউনিট গুলো সাধারণ হাসপাতালে রূপান্তর করা হবে। এই ১১ টি করোনা আইসোলেশন ইউনিট নির্মাণে ১১ টি ভিন্ন ভিন্ন আইএনজিও এবং এনজিও অর্থায়ন করছে। এসব আইসোলেশন ইউনিটে শুধুমাত্র রোহিঙ্গা শরনার্থীদের চিকিৎসা সেবা দেওয়া হবে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •