আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
আগামী সোমবার থেকেই কাজে ফিরতে পারবেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। শনিবার ডাউনিং স্ট্রিটের এক মুখপাত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে টানা কয়েকদিন হাসপাতালে থাকার পর ইতোমধ্যেই সুস্থ হয়ে উঠেছেন জনসন।

গত মাসে প্রধানমন্ত্রী জনসনের শরীরে করোনার উপস্থিতি ধরা পড়ে। এরপর তিনি সেলফ আইসোলেশনে ছিলেন। তবে সেলফ আইসোলেশনে থাকার ১০দিন পর তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

হাসপাতালে নেওয়ার আগ পর্যন্ত নিজের দায়িত্ব পালন করে গেছেন জনসন। শরীরে প্রচণ্ড তাপমাত্রা এবং কাশি নিয়েও একের পর এক ভিডিও কনফারেন্সে যোগ দিয়েছেন তিনি।

গত ৫ এপ্রিল তার শারীরিক অবস্থা খারাপ হওয়ায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গত ৬ থেকে ৯ এপ্রিল তাকে ইন্টেন্সিভ কেয়ারে রাখা হয়েছিল।

হাসপাতালে ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে করোনার সঙ্গে রীতিমত যুদ্ধ করতে হয়েছে তাকে। তার শরীরে করোনা মারাত্মক প্রভাব ফেলেছিলে। প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের পরিবর্তে এখন পর্যন্ত করোনা পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার দায়িত্বে আছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী জনসনের করোনায় আক্রান্তের ঘটনা পুরো ব্রিটিশ সরকারকে নাড়িয়ে দিয়েছে। দেশের একেবারে শীর্ষস্থানীয় নেতার করোনায় আক্রান্তের ঘটনা সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্কের জন্ম দিয়েছে।

জনসনের প্রধান স্বাস্থ্য উপদেষ্টাও সেলফ আইসোলেশনে ছিলেন। এমনকি জনসনের অন্তঃসত্ত্বা হবু স্ত্রী ৩২ বছর বয়সী কেরি সিমন্ডসের শরীরে করোনার লক্ষণ দেখা দিলেও তিনি এখন ভালো আছেন।

গত কয়েকদিন ধরেই বরিস জনসনের শরীর ভালোর দিকে। চলতি সপ্তাহে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ব্রিটেনের রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। এখন তার দায়িত্বে ফেরার অপেক্ষা।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •