শাহেদ মিজান, সিবিএন:

গত শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) করোনা রোগী হিসেবে সনাক্ত পাঁচজনকে রামু আইসোলেশন সেন্টারে নিয়ো আসা হয়েছে। আজ শনিবার বিকাল ৪টা নাগাদ তাদের বহন করে স্বাস্থ্য বিভাগের একটি অ্যাম্বুলেন্স রামুর উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন। সাথে রয়েছে করোনা রোগীদের জন্য নিয়োজিত স্বাস্থ্য বিভাগের একটি দল।  বিকাল সাড়ে ৪টার নাগাদ তারা সেখানে পৌঁছান। কক্সবাজারের সিভিল সার্জন মোঃ মাহবুবুর রহমান এই তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, রামুতে অবস্থিত করোনা রোগীদের তৈরি করা আইসোলেশন সেন্টারই জেলার প্রধান আইসোলেশন সেন্টার। সেখানেই করোনা রোগীদের জন্য সর্বোচ্চ চিকিৎসা ও সেবা রাখা হয়েছে। তাই জেলায় আক্রান্ত করোনা রোগীদের ওই আইসোলেশন সেন্টারে রেখেই চিকিৎসা দেয়া হবে। সে মোতাবেক গত শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সনাক্ত মহেশখালীর পাঁচজনকে রামুর আইসোলেশন সেন্টারে নিয়ে আসা হয়। সেখানে তাদেরকে চিকিৎসা দেয়া হবে।

একইভাবে অন্যান্য কক্সবাজারের দুইজন এবং টেকনাফের একজনকেও রামুর আইসোলেশন সেন্টারে চিকিৎসা দেয়া হবে। তবে গত ১৯ এপ্রিল মহেশখালীতে সনাক্ত অপর তিন করোনা রোগীকে আনা হচ্ছে না। কারণ ছয়দিন অতিবাহিত হলেও তাদের শরীরে কোনো উপসর্গ দেয়নি। আটদিন পার হলে তাদের আবার নমুনা পরীক্ষা করা হবে বলে জানা সিভিল সার্জন। তখন পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

এদিকে মহেশখালীতে সর্বোচ্চ করোনা আক্রান্ত হয়েছে। এই নিয়ে বিস্তারিত তথ্য জানতে মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মাহফুজুল হককে মুঠোফোনের বার বার কল তিনি কল ধরেন না। এই অভিযোগ মহেশখালীতে কর্মরত গণমাধ্যমকর্মীদেরও। এমন ক্রিটিকেল সময়ে একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হয়ে মাহফুজুল হকের ফোন রিসিভ না করার বিষয়টিকে খুব নেতিবাচক হিসেবে দেখা হচ্ছে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •