মুহাম্মদ আবু সিদ্দিক ওসমানী :

রামু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নতুন ভবনের ৫০ শয্যা বিশিষ্ট আইসোশলেন হাসপাতালটি কক্সবাজার জেলা আইসোলেশন হাসপাতাল হিসাবে ব্যবহৃত হবে। এখন থেকে স্যাম্পল টেস্টে করোনা ভাইরাস জীবাণু সনাক্ত হওয়া সকল রোগীকে সরাসরি রামু আইসোলেশন হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হবে। কক্সবাজারের সিভিল সার্জন ডা. মাহবুবুর রহমান সহ জেলা করোনা ভাইরাস সংক্রামণ প্রতিরোধ কমিটি হাসপাতালটি সার্বিক অবস্থা তদারকি করবেন। এজন্য কক্সবাজার সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আলী আহসানকে আহবায়ক, রামু উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নোবেল কুমার বড়ুয়াকে সদস্য সচিব এবং অন্য ৬ টি উপজেলার স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাকে সদস্য করে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

কক্সবাজার জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের নির্ভরযোগ্য সূত্র এতথ্য নিশ্চিত করেছে।

এদিকে টেকনাফে ৩ জন, কক্সবাজার পৌরসভার ১ জন করোনা ভাইরাস আক্রান্ত রোগীকে ২৪ এপ্রিল থেকে রামু আইসোলেশন হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া গত ২২ এপ্রিল থেকে কক্সবাজার শহরের টেকপাড়ার করোনা রোগীকে রামু আইসোলেশন হাসপাতালে রেখে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে।
মহেশখালীতে গত ২৪ এপ্রিল করোনা ভাইরাস সনাক্ত হওয়া ৫ জন রোগীকে এম্বুলেন্সে করে রোববার বেলা আড়াইটার দিকে রামু আইসোলেশন হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে পাঠানো হচ্ছে বলে মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাহফুজুর রহমান সিবিএন-কে জানিয়েছেন। মহেশখালী উপজেলায় গত ১৯ এপ্রিল সনাক্ত হওয়া অপর ৩ জন রোগীর চিকিৎসা সেবা মহেশখালীতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শুরু হওয়ায় এই ৩ জন রোগী মহেশখালীতে থাকবে বলে ডা. মাহফুজুর রহমান জানিয়েছেন। সে অনুযায়ী আপাতত ১৩ জন করোনা রোগীর মধ্যে ১০ জনের চিকিৎসা রামু আইসোলেশন হাসপাতালে করা হবে।

গত ২৪ মার্চ সনাক্ত হওয়া কক্সবাজারের প্রথম করোনা রোগী মুসলিমা খাতুন সুস্থ হয়ে গত ৮ এপ্রিল বাড়িতে ফিরে এসেছেন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •