সিবিএন :

‘অভাবের তাড়নায় সদ্যভূমিষ্ঠ সন্তানকে দত্তক দিল মা’ শিরোনামে সিবিএন-এ বৃহস্পতিবার ২৩ এপ্রিল প্রকাশিত সংবাদটি প্রত্যাহার করে নেয়া হয়েছে । সংবাদটিতে সুত্র হিসেবে প্রসুতির মা’র বক্তব্যে মিথ্যা তথ্য দেয়ায় তার বক্তব্যের ভিত্তিতে  অসাবধানতা বশত ভুল তথ্য পরিবেশন করা হয়েছে। নিউজটি পড়ে অনেকে বিভ্রান্ত হয়েছেন। এজন্য সিবিএন কর্তৃপক্ষ আন্তরিকভাবে দুঃখিত। তথ্য গরমিল থাকায় সংবাদটি তাৎক্ষণিকভাবে পোর্টাল থেকে প্রত্যাহারও করে নেওয়া হয়েছে।

প্রকৃতপক্ষে ঘটনাটা হলো-প্রসুতি উক্ত মহিলার পিতা-মাতা পটুয়াখালীর পাথরঘাটা থেকে ১০/১১ বছর আগে কক্সবাজার এসে সরকারী খাস জমিতে ভাসমান অবস্থায় বসবাস করে আসছিলো। প্রসুতি মহিলার আগে একটা স্বামী ছিলো। সে স্বামীর ঘরে আগে জন্ম নেওয়া মেয়েটা দৃষ্টি প্রতিবন্ধী। এই প্রতিবন্ধী মেয়েটাকে মা অত্যন্ত কষ্ট করে লালন পালন করছে। পরে প্রসুতি মেয়েটি কুষ্টিয়া জেলার জনৈক ব্যক্তিকে কোন কাবিন ছাড়া বিয়ে করে। যার কোন প্রকৃত ঠিকানা মহিলাটি এখনো জানেনা। কাবিন ছাড়া বিয়ের তিনি মাস পর মহিলাটির স্বামী তাকে ফেলে নিরুদ্দেশ হয়ে যায়। এযাবৎ প্রসুতি মহিলার স্বামীর কোন খোঁজ খবর নাই।

২৩ এপ্রিল জন্ম নেয়া সন্তানটিও একসময় হয়ত প্রতিবন্ধী হয়ে যাবে বলে আশংকা করছিলো প্রসুতি মহিলাটি। তাই ২ টি প্রতিবন্ধী সন্তানকে একত্রে লালনপালন করতে তার চরম কষ্ট হবে, এ আশংকায় প্রসুতি মহিলাটি তার ভূমিষ্ট সন্তানকে ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার কারণে তার কাছে রাখতে চায়নি। এজন্য সদ্য প্রসুত বাচ্চাটিকে প্রসুতি মহিলাটি স্বেচ্ছায় অন্যজনকে দিয়ে দেয়। কোন ধরনের অভাবের জন্য সন্তানটিকে অন্যজনের কাছে দেওয়া হয়নি।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মহিলাটি সন্তান প্রসবকালীন রক্ত দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেওয়ায় কক্সবাজার জেলা পুলিশের ৩ সদস্য তাৎক্ষণিক স্বেচ্ছায় তিন ব্যাগ রক্ত দিয়েছেন বলে হাসপাতালের পোস্ট অপারেটিভ বিভাগ সুত্রে জানা গেছে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •