চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:

চট্টগ্রামের কর্ণফুলীতে চিকিৎসার কথা বলে মাওলানা সায়ের মোহাম্মদ সাগর (৪২) কে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে পিটিয়ে হত্যা করার ঘটনায় ৭ জন অংশ নিয়েছে বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রাথমিক ভাবে ধারণা করছেন। এখনও কোনো খুনির পরিচয় শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ। তবে হত্যার রহস্য উদঘাটনে কাজ করছে পুলিশ ও র‍্যাবের একাধিক টিম।

সিএমপি কর্ণফুলী থানার ওসি মো. ইসমাঈল হোসেন জানান, কী কারণে কবিরাজ কে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হলো-সে বিষয়ে এখনও কোনো কিছু স্পষ্ট না। পুলিশ খতিয়ে দেখছে তার সঙ্গে কারও কোনো ধরনের শত্রুতা ছিল কিনা। ওসি অারো জানান, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মোট ৭ জন অংশ নেয় বলে তথ্য পেয়েছেন। তাদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

স্থানীয়দের অনেকে বলছেন, একজন ভালো মানুষকে ঘর থেকে ডেকে নিরাপদ নির্জন জায়গায় নিয়ে পিটিয়ে মেরে ফেলা অপরাধীদের সুকৌশল ও পরিকল্পিত হত্যাকান্ড এটি। এমন অপরাধীদের কঠিনতম শাস্তি দাবি করেছেন।

তদন্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ১৯ এপ্রিল সন্ধ্যায় সিএনজি অটোরিকশা যোগে এসে কবিরাজ সায়ের মোহাম্মদ সাগরকে চিকিৎসার কথা বলে ডেকে নেয় খুনিরা। শায়ের মোহাম্মদকে বাড়ি থেকে ডাকতে আসেন ২ জন। সিএনজি অটোরিকশা নিয়ে অপেক্ষায় থাকেন ২ জন ও ৩ জন ঘটনাস্থলে ছিলেন। পুলিশ একটি সিসিটিভি ফুটেজ পেয়েছে। এই ফুটেজ বিশ্লেষণে করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন।

এদিকে নিহতের বড়ভাই এয়ার মোহাম্মদ প্রতিবেদককে জানান, ‘সন্ধ্যায় ডিবি পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থল ঘুরে গেছেন। অামাদের যা বলার পুলিশকে জানিয়েছি। খুনের ঘটনায় কর্ণফুলী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।’

প্রসঙ্গত, গতকাল সন্ধ্যায় কর্ণফুলীর চরলক্ষ্যা এলাকায় নিয়ে কবিরাজকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে দুর্বৃত্তরা। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে মারা যান সায়ের মোহাম্মদ। নিহত সায়ের শিকলবাহা এলাকার আবুল হাসেমের ছেলে বলে পুলিশ জানান।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •