ফাইল ছবি

মুহাম্মদ আবু সিদ্দিক ওসমানী :

শনিবার ১৯ এপ্রিল কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের ল্যাবে স্যাম্পল টেস্টে করোনা ভাইরাস জীবাণু ধরা পড়া টেকনাফের বাহারছরা ইউনিয়নের মারিশবনিয়া গ্রামের মোহাম্মদ হোছাইন (৫৫) কে সরকারি এ্যাম্বুলেন্সে করে এনে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেের করোনা আইসোলেসন ইউনিটে ভর্তি করিয়ে করিয়ে দেওয়া হয়েছে। তার বাড়ি সহ বাহারছরা ইউনিয়নের বড়ডেইল কচ্ছপিয়া থেকে জাহাজপুরা পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার এলাকা লকডাউন (Lockdown) করে দেওয়া হয়েছে। লকডাউন (Lockdown) এরিয়ায় লাল পতাকা উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এই লকডাউন Lockdown এরিয়ায় ২ শতাধিক বাড়ি ঘর, অর্ধ শতাধিক দোকান, মসজিদ ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান রয়েছে। উক্ত করোনা রোগীর সংস্পর্শে আসা সকলকে বাধ্যতামুলক হোম কোয়ারান্টাইনে রাখা হয়েছে।

টেকনাফ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবুল মনছুরের নেতৃত্বে একটি টিম শনিবার ১৯ এপ্রিল রাত সাড়ে ৮ টার দিকে করোনা রোগী মোহাম্মদ হোছাইনের বাড়িতে গিয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলাপ করে এসব কাজ করেছেন।

টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ও উপজেলা করোনা ভাইরাস সংক্রামণ প্রতিরোধ কমিটির সদস্য সচিব ডা. টিটু শীল এ তথ্য সিবিএন-কে নিশ্চিত করেছেন।

তিনি আরো বলেন, গত ৬ এপ্রিল করোনা ভাইরাস রোগী ঢাকা থেকে এসে যেসব জায়গায় আসা যাওয়া করেছে, সব জায়গা লকডাউন (Lockdown) এর আওতায় আনা হয়েছে।

এই করোনা রোগী মোহাম্মদ হোছাইন টেকনাফ উপজেলার
বাহারছড়া মারিশবনিয়া গ্রাম এলাকা হতে আম সংগ্রহ করে প্রাণ গ্রুপে সরবরাহ করতো। এজন্য সে নিয়মিত ঢাকা-কক্সবাজার-টেকনাফ আসা যাওয়া করতো।

এই টিমে নৌবাহিনীর কমান্ডার নাহিদ, উপজেলা করোনা মেডিকেল টিম, পুলিশও ছিলেন বলে ডা. টিটু শীল জানিয়েছেন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •