সিবিএন ডেস্ক:
বিশ্বব্যাপী মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়লেও করোনাভাইরাস তথা কোভিড-১৯ এর চিকিৎসায় বিশ্বে এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিষেধক (ওষুধ কিংবা ভ্যাকসিন) আবিষ্কার হয়নি। তবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নিজেদের স্বাস্থ্যসেবার কাঠামো অনুযায়ী চলছে এ রোগের চিকিৎসা। এখন প্রশ্ন হলো- বাংলাদেশে কীভাবে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে এবং রোগীদের কী ওষুধ দেয়া হচ্ছে?

এ নিয়ে ইতোমধ্যে অনেকের মাঝে কৌতূহল দেখা দিয়েছে। তবে বিষয়টি বিশদভাবে জনসম্মুখে তুলে ধরেনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

যদিও কিছুদিন আগে করোনাভাইরাস বিষয়ক নিয়মিত স্বাস্থ্য বুলেটিনে এ নিয়ে যৎসামান্য উল্লেখ করেছিলেন সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পরিচালক মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা। তিনি জানিয়েছিলেন, যেহেতু করোনাভাইরাসে কোনো ওষুধ ও ভ্যাকসিন আবিষ্কার হয়নি তাই আপাতত এর চিকিৎসা নেই বললেই চলে। আমরা মূলত, করোনা আক্রান্ত রোগীর অন্যান্য যেসব সমস্যা রয়েছে সেগুলোর ট্রিটমেন্ট করছি। কোনো করোনা আক্রান্ত রোগীর যদি কিডনিজনিত সমস্যা থাকে তাকে এর চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। করোনার জন্য আলাদা কোনো চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে না। তবে শ্বাসকষ্ট হলে অক্সিজেনসহ অন্যান্য সাপোর্ট দেয়া হচ্ছে।

করোনায় আক্রান্তদের চিকিৎসা পদ্ধতি ও ওষুধপত্র নিয়ে জাগো নিউজের সঙ্গে কথা হয় এ চিকিৎসায় নিয়োজিত একজন চিকিৎসক এবং দুজন রোগীর সঙ্গে।

বাংলাদেশে বর্তমানে করোনা রোগীদের দুটি ওষুধ খেতে দেয়া হচ্ছে। এর মধ্যে একটি হচ্ছে- হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন ট্যাবলেট। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয়েছে ওষুধটি। এটি মূলত ম্যালেরিয়ার চিকিৎসায় ব্যবহার হয়। এছাড়া কয়েক বছর আগে ওষুধটি লুপাস নামের রোগ নিরাময়েও ব্যবহার হয়েছিল।

এ রোগের চিকিৎসায় দেশে ব্যবহৃত অন্য ওষুধটি হচ্ছে ইরাইথ্রোমাইসিন (Erythromycin)। এটি বাংলাদেশের বিভিন্ন কোম্পানি তৈরি করে। ইরাইথ্রোমাইসিন নিউমোনিয়াসহ নানা ইনফেকশনের ওষুধ হিসেবে কাজ করে। বাংলাদেশে করোনা আক্রান্ত রোগীদের সকাল, বিকেল, দুপুর— তিন বেলায় এসব ওষুধ খাওয়ানো হচ্ছে।

ওই চিকিৎসক জানান, আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা না দিলেও এই দুটি ওষুধ খাওয়ানোর পরামর্শ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। তবে ওষুধ দুটির মাধ্যমে রোগী সুস্থ হচ্ছেন, এ বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের কেউই নিশ্চয়তা দেয়নি।

এদিকে, দেশে করোনায় আক্রান্ত এবং সুস্থের হারের দিকে তাকালে বোঝা যায়, ওষুধ দুটির ব্যবহার খুব বেশি কাজে দিচ্ছে না। কেননা গত ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্তের পর এখন পর্যন্ত দুই হাজার ১৪৪ জন আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৮৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। সুস্থ হয়েছেন মাত্র ৬৬ জন। দেশে সুস্থের চেয়ে মৃতের সংখ্যা বেশি। অথচ আক্রান্তের শুরুর দিন থেকে এখন পর্যন্ত ৫১ দিন কেটে গেছে।

ওষুধগুলোর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

চিকিৎসকদের মতে, ইরাইথ্রোমাইসিন ও হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন— উভয়েরই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে। ইরাইথ্রোমাইসিনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে পেটে অস্বাভাবিক ব্যথা, বমি, ডায়রিয়া, শরীরে র‌্যাশ ও অ্যালার্জির প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে।

হাইড্রক্সিক্লোরোকুইনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিয়ে গবেষণা করেছে ভারতের একদল চিকিৎসক। তারা বলছেন, হাইড্রক্সিক্লোরোকুইনের প্রয়োগ সব শরীরের জন্য প্রযোজ্য নয়। এটি একশ্রেণির হৃদরোগীর ক্ষেত্রে ‘কার্ডিয়াক অ্যারিদমিয়া’ নামের নতুন হৃদরোগ ডেকে আনে। সোরিয়াসিস, পরফাইরিয়া, লিভারের অসুখ, অ্যালকোহজনিত সমস্যা থাকলে এ ওষুধ প্রয়োগে বড় ক্ষতি হতে পারে। বিশেষত যাদের উচ্চরক্তচাপের সমস্যা রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে এ ওষুধের ব্যবহারে হার্টের ব্লক পর্যন্ত হতে পারে।

যেভাবে হচ্ছে চিকিৎসা

দুই আক্রান্ত রোগীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শরীরে করোনার সংক্রমণ শনাক্তের পর ২-৩ দিন তাদের নিজ বাড়িতেই আইসোলেশনে থাকতে বলা হয়। এরপর স্বাস্থ্য অধিদফতর ও আইইডিসিআরের কর্মকর্তারা অ্যাম্বুলেন্সে করে তাদের হাসপাতালে নিয়ে যান।

এর মধ্যে একজন নয়দিন কুয়েত মৈত্রী এবং অপরজন আটদিন ধরে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের কেবিনে চিকিৎসাধীন। দুজনই একই চিকিৎসা পদ্ধতির কথা জানান। তাদের বয়স ৩০ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে। তাদের দুজনেরই অন্য কোনো জটিল রোগের ইতিহাস নেই।

তারা জানান, হাসপাতালে আসার পর থেকে স্বাভাবিক রোগীর মতোই দিন কাটাচ্ছেন। তিন বেলা ওষুধ দেয়া হচ্ছে। নার্সরা সকাল সকাল ওষুধগুলো এনে বক্সে রেখে যান। রোগী নিজেই খেয়ে নেন, রোগী বয়স্ক হলে নার্সরা সহযোগিতা করেন। এছাড়া নার্সরা ক্ষণে ক্ষণে এসে থার্মোমিটার দিয়ে জ্বর মাপেন।

আক্রান্ত রোগীর খাবারের মেন্যু

করোনায় আক্রান্ত রোগীদের জন্য দুই হাসপাতালেই তিন বেলা একই খাবারের মেন্যু অনুসরণ করা হচ্ছে। এক্ষেত্রে সকালের নাস্তায় তাদের এক গ্লাস (২০০ এমএল) পাস্তুরিত দুধ, ডিম ও পাউরুটির স্লাইস দেয়া হয়। দুপুরে ভাত-ডালের সঙ্গে ব্রয়লার মুরগি। রাতের মেন্যুতেও ভাত-ডালের সঙ্গে ব্রয়লার মুরগি। এছাড়া রোগীরা চাইলে নিজ উদ্যোগে বাইরে থেকে খাবার এনে খেতে পারছেন, এক্ষেত্রে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।

তবে ডায়াবেটিস ও অন্যান্য জটিল রোগে আক্রান্তদের জন্য তাদের স্ব-স্ব ডাক্তারের খাবারের তালিকা অনুসরণ করা হয়। এছাড়া প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিয়ে হাসপাতালে রোগীদের স্বজনদের আসা-যাওয়া কিংবা রাতে থাকা নিয়ে কোনো বাধা নেই।

করোনার ওষুধ-খাবার নিয়ে বিশেষজ্ঞের মতামত

করোনার চিকিৎসা নিয়ে জাগো নিউজের সঙ্গে বিস্তারিত কথা হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল ফার্মেসি ও ফার্মাকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মুহিতের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে করোনার মতো রোগের ওষুধ আবিষ্কারের কোনো সুযোগ নেই। পর্যাপ্ত ল্যাব নেই, গবেষণার জন্য ফান্ডিংও নেই। করোনার ওষুধ আবিষ্কার করাটা অনেক দুঃসাহসিক কাজ। এটার জন্য বিশাল বাজেট-ফান্ড দরকার। আমাদের যেহেতু একটিও নেই তাই আমরা ওষুধ নিয়ে কোনো কাজ করতে পারছি না। এখন আমাদের যে কাজটা করা দরকার, করোনার প্রতিষেধক আবিষ্কার হওয়ার আগে আমাদের পূর্বের ব্যবহৃত ওষুধগুলো নতুন করে ব্যবহারের সুযোগ আছে কি-না যেমন- হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন, ইমোডিন এসব প্রজাতির ওষুধ ব্যবহার করা যেতে পারে।’

‘রোগী যারা তাদের জন্য পরামর্শ হলো- ডাক্তারদের একটা নিজস্ব ট্রিটমেন্ট ও গাইডলাইন আছে। ডাক্তারদের পাশাপাশি যদি আমাদের কাজ করার সুযোগ থাকত তাহলে বাংলাদেশের যেসব প্রাকৃতিক ভেষজ উদ্ভিদ পাওয়া যায়, সেগুলো ব্যবহার করে দেখা যেত। লেবুর শরবত, আদা-চা, গ্রিন-টি, যষ্ঠি মধু; এসব ব্যবহার করা যেতে পারে। বিশেষ করে যারা হোম কোয়ারেন্টাইনে বা আইসোলেশনে আছেন, তারা এগুলো ব্যবহার করতে পারেন। সেলেনিয়াম জাতীয় খাবার যেমন- বাদাম, এগুলো খেতে পারেন। ডিম, মাছ, মাংস; এগুলো খেলে শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হবে। অ্যান্টিবডি তৈরি হলে করোনার বিরুদ্ধে লড়াই করা যাবে। রোগী দ্রুত সুস্থ হয়ে যাবেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘যেহেতু বিশ্বে এখনও নতুন ওষুধ আসেনি, সেজন্য আমাদের এখন অ্যান্টিবডি তৈরি করতে হবে। বিশ্বব্যাপী সবাই এ কাজটাই করছে। আমি বলব, চবনপ্রাস নামে দোকানে একটা প্রোডাক্ট পাওয়া যায়। এটি খুব ভালো কাজ করছে। এটি খেলে শরীরে ইমিউনিটি গ্রো (রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি) করতে পারে এবং ভাইরাসগুলো শরীর থেকে সহজে নির্মূল করতে পারে। শুনছি এটি ইন্ডিয়াতে নাকি ভালো কাজ করছে।’

‘ইমিউনিটি গ্রো করতে পারে এমন যেকোনো খাবার খেলেই ঘরে বসে করোনা নির্মূল করা যেতে পারে। যত বেশি ইমিউনিটি বাড়াতে পারবেন তত বেশি সফল হতে পারবেন। আমার মনে হয়, ভালোভাবে ইমিউনিটি বৃদ্ধি করাতে পারলে ৯০ শতাংশ রোগ নির্মূল হবে, ইনশাআল্লাহ।’

বিভিন্ন দেশে যেভাবে চলছে চিকিৎসা

করোনাভাইরাসের উৎপত্তিস্থল চীনে। দেশটিতে হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন, প্যারাসিটামল ছাড়াও এইডসের একটি ওষুধের পরীক্ষামূলক প্রয়োগ হয়েছে। দেশটির ন্যাশনাল হেলথ কমিশনের (এনএইচসি) বেইজিং শাখা আক্রান্তদের দিনে দুবার দুটি লোপিনাভাইর ও রিটোনাভাইর ট্যাবলেট এবং দিনে দুবার এক ডোজ আলফা-ইন্টারফেরন নেবুলাইজারের মাধ্যমে রোগীদের চিকিৎসা দেয়ার কথা জানিয়েছে।

এছাড়া চীন পরীক্ষামূলকভাবে অ্যাভিগান নামক একটি ঠান্ডা-কাশির ওষুধের প্রয়োগ করা হয়েছে। অ্যাভিগানের জেনেরিক নাম ফ্যাভিপিরাভির। চীনের ট্রায়ালে অ্যাভিগান সেবনকারীরা অন্যান্য ওষুধের তুলনায় দ্রুত সেরে উঠেছে বলে জানিয়েছে দেশটি।

পাশাপাশি চীনে কিউবার তৈরি ‘ইন্টারফেরন আলফা টু-বি’ ওষুধটিও ব্যবহার করা হয়েছে। ‘ইন্টারফেরন আলফা টু-বি’ এইচআইভি এইডস, হেপাটাইটিস-বি ও সি, হার্পিস জোস্টার বা শিংলস, ডেঙ্গু ও বিভিন্ন ধরনের ক্যানসারের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়েছে। ওষুধটি মানবদেহে ইন্টারফেরনের প্রাকৃতিক উৎপাদন বাড়ায় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা আরও জোরদার করে। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসার ক্ষেত্রেও এটি কার্যকর।

বাংলাদেশসহ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, স্পেন, জার্মানি, ব্রাজিল, বাহরাইন এবং দক্ষিণ এশিয়ার অনেক দেশের কাছে হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন ও প্যারাসিটামল গ্রুপের ওষুধ রফতানি করছে ভারত। বিশ্বব্যাপী হাইড্রক্সিক্লোরোকুইনকে করোনার চিকিৎসায় কার্যকর বলা হলেও ভারত নিজ দেশে করোনা রোগীদের জন্য কোন ওষুধ ব্যবহার করছে তা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়নি।

যুক্তরাষ্ট্র তাদের নাগরিকদের হাইড্রক্সিক্লোরোকুইনের মাধ্যমে চিকিৎসা দিচ্ছে বলে দেশটির সংবাদমাধ্যমগুলোতে উল্লেখ করা হয়েছে। চীনের মতো জাপানও অ্যাভিগান (ফ্যাভিপিরাভির) ওষুধের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু করেছে। ইতালিসহ মৃত্যুপুরী ইউরোপের দেশগুলোতে হাইড্রোক্লোরোকুইন এবং কিউবার ইন্টারফেরন আলফা টু-বি নামের ওষুধটি ব্যবহার করা হচ্ছে।

করোনায় আক্রান্ত ২ রোগীর পরামর্শ

করোনায় আক্রান্ত দুজনই জাগো নিউজকে প্রায় একই ধরনের অভিজ্ঞতা ও পরামর্শের কথা জানান। তারা বলেন, সারাবিশ্বে করোনার প্রভাব এবং ইউরোপে এত সংখ্যক মানুষের মৃত্যুর কারণে উদ্বিগ্ন ছিলাম। তবে ধৈর্য ধরে চিকিৎসা নিচ্ছি। এখন আমরা সুস্থ হওয়ার পথে।

সামাজিক হেনস্তার শিকার করোনা রোগী

আক্রান্তদের একজন নীলফামারীর একটি হাসপাতালের চিকিৎসক। তবে তার পরিবার পুরান ঢাকার যাত্রাবাড়ীর একটি এলাকায় থাকেন। আক্রান্ত চিকিৎসক বলেন, ‘নীলফামারীতে আমার করোনা শনাক্ত হয়। এরপর আমাকে সরাসরি কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর মধ্যে আমি যাত্রাবাড়ীতে আমার বাবা-মা বা পরিবারের কারও সঙ্গেই দেখা করিনি। তবে এলাকাবাসী আমাদের বাড়ির মেইন গেট বাইরে থেকে তালা দিয়ে দেয়। তাদের ধারণা আমার বাবা-মাও আমার কারণে করোনায় আক্রান্ত। আমি পরিবারের একমাত্র ছেলে। হাসপাতালে বসেই পুলিশকে ফোন দিয়ে বাবা-মাকে নিরাপদে রেখেছি। এ ধরনের সামাজিক হেনস্তা করোনার থেকেও বেশি নাড়া দেয়।’

আক্রান্ত অপর রোগী পুরান ঢাকায় থাকেন। তার পরিবারের এক সদস্য স্যার সলিমুল্ল্যাহ মেডিকেল কলেজ (মিটফোর্ড) হাসপাতালের নার্স। ওই নার্সের ও তার করোনা শনাক্তের পর পরিবারের সদস্যদের পুরান ঢাকার বাড়িটি এপ্রিল মাসের মধ্যে ছেড়ে দিতে বলেছেন বাড়ির মালিক।

বাংলাদেশের সর্বশেষ করোনা পরিস্থিতি

শনিবার (১৮ এপ্রিল) পর্যন্ত দেশে করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দুই হাজার ১৪৪ জন। ভাইরাসটি এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের ৮৪ জনের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে। সুস্থ হয়েছেন ৬৬ জন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •