ফারুক আহমদ, উখিয়া :

কোভিড নাইনটিন সংক্রমিত করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত ও জনসমাগমের ভিড় এড়াতে উখিয়ার সকল হাট-বাজার অন্য জায়গায় স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন উপজেলা প্রশাসন।
১৭ এপ্রিল শুক্রবার বিকেলে উখিয়া উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা মোহাম্মদ নিকারুজ্জামান চৌধুরী কোট বাজার স্টেশন পরিদর্শন করেন। এ সময় রত্নাপালং ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান খাইরুল আলম চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সকলের মতামতের ভিত্তিতে করোনা লক ডাউন জারি অবস্থায় আপাতত শান্তি বাবুর পুকুর পাড়ের পূর্ব পাশে নতুন বাজার বসানোর নির্দেশ দেন।
এ সময় বাজার ইজারাদার নুরুল হুদা, কাঁচা তরকারি ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দ, কোট বাজার হকার্স সমিতির নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় মেম্বার উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিকারুজ্জামান চৌধুরী জানান, করোনা ভাইরাস জনিত সংক্রমণ অবস্থা ভালো নয়। তাই বাজারে লোক সমাগম ও ভিড় কমানোর লক্ষ্যে এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে উপজেলা প্রশাসন এমন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন।
তিনি বলেন নতুন স্থানান্তরিত বাজার এখন থেকে একেকটির দূরত্ব ১০ ফুট অন্তর অন্তর দোকান বসাতে হবে।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরো বলেন উখিয়া দারোগা বাজার বসবে এখন থেকে উখিয়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় খেলার মাঠে, সোনার পাড়া বাজার বসবে সোনার পাড়া উচ্চ বিদ্যালয় খেলার মাঠে। এ ছাড়াও কুতুপালং, বালুখালী, থাইংখালী, পালংখালী সহ বিভিন্ন হাটবাজারও নতুন স্থানে সরানো হবে।
রত্নাপালং ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান খায়রুল আলম চৌধুরী জানান দেশে করোনার ভয়াবহ পরিস্থিতি মোকাবেলা এবং নিজেদেরকে নিরাপদ ও সুস্থ রাখতে অবশ্যই সরকারি যেকোনো নির্দেশনাবলী আমাদেরকে পালন করতে হবে।
তিনি আরো বলেন জনসমাগম এড়াতে কোট বাজারের কাঁচা তরকারি ও কাঁচা মাছ বাজার আগামী সোমবারের মধ্যে অবশ্যই নতুন নির্ধারিত জাগায় ক্রয় বিক্রি করতে হবে।
খোঁজ খবর নিয়ে জানা যায়, মুদির দোকান ঔষধের দোকান ব্যতীত সকল প্রকার কাঁচা তরকারি, কাঁচা মাছ এমনকি তরমুজ বিক্রেতাদেরকে কোট বাজার স্টেশন ত্যাগ করে নতুন বাজারে চলে আসতে হবে। এ প্রসঙ্গে উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা ইজারাদারদের উদ্দেশ্যে বলেন এ নির্দেশ অমান্য করা হলে পুরো বাজার বন্ধ করে দেওয়া হবে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •