কাউয়ার খোপ এবং নাইক্ষংছড়িতে আসা তামাক ক্রেতাগন একজনও কিন্তু কক্সবাজার জেলার স্থায়ী বাসিন্দা নয়।
তাছাড়া একটি কোম্পানির তামাক ক্রয়/বিক্রয়ে কমপক্ষে ৩০০ শ্রমিক লাগে। আবার তামাক বহনের গাড়িগুলো বিভিন্ন জেলার ড্রাইভার কর্তৃক চালিত হয়।যে হারে তামাক চাষ হয়েছে, উক্ত তামাক কিনতে ১০ টি কোম্পানি আসলে বাইরের জেলা থেকে কতগুলো মানুষ উপরিউক্ত এলাকায় আসতে পারে সেই হিসাবের সামান্য ক্যালকুলেশন নিচে দেখানো হল।
১.ক্রেতা-১০x২০=২০০জন(প্রতি কোম্পানির ২০ জন করে)
২.ক্রেতাদের ব্যাক্তিগত গাড়ির ড্রাইভার১০x২০ =২০০জন(প্রতি গাড়ির ১ জন ড্রাইভার)
২.শ্রমিক ১০x৩০০=৩০০০জন
৩.পরিবহন শ্রমিক ১০x৫০০০x৩=১৫০০০০(প্রতি গাড়ির ১ড্রাইভার +১হেল্পার +১সুপারভাইজার)
উপরিউক্ত হিসাবে আগামী ১/২ মাসে ১৫৩৪০০ লোক উল্লেখিত এলাকায় আসলে তাদের ১ জনের মধ্যেও যদি করোনা ভাইরাস থাকে উক্ত এলাকার বাসিন্দাদের মাঝে তা সহজে ছড়িয়ে পড়বে।আমাদের এলাকার বাসিন্দাদের দায়ভার কে নিবে? জেলা, উপজেলা ও স্থানীয় প্রশাসনের কাছে জানতে চাই।

কাউয়ার খোপ বাসীর পক্ষে

জসিম উদ্দিন
প্রভাষক (হিসাববিজ্ঞান)
কক্সবাজার কমার্স কলেজ ও
সভাপতি
সখা-০৯(এসএসসি ব্যাচ -২০০৯)
কাউয়ার খোপ হাকিম রকিমা উচ্চ বিদ্যালয়

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •