কামাল হোসেন, রামু :
লকডাউন থাকা সত্ত্বেও রামুতে প্রতিনিয়ত ঢুকে পড়ছে করোনা সংক্রমিত এলাকায় থাকা অনেক লোক। খবর পেয়ে ইতিমধ্যে আগত অনেকের বাড়ি লকডাউন করেছে উপজেলা প্রশাসন। এই নিয়ে রামুতে প্রায় জায়গায় আতংক বিরাজ করছে।

বর্তমানে বাংলাদেশে বেশ কয়েকটি জেলায় করোনা রোগী সনাক্ত হয়েছে। সনাক্তের সংখ্যা দিন দিন লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়েই চলছে।বাড়ছে মৃতের সংখ্যাও।পরিস্থিতি দিন দিন খারাপের দিকে যাচ্ছে।কক্সবাজার জেলাতে এখনো পর্যন্ত কোন করোনা রোগী সনাক্ত হয়নি। জীবিকার তাগিদে রামুর অনেক লোক সংক্রমিত জেলাগুলোতে বসবাস করছেন। লোকগুলো বর্তমানে আতংকের মধ্যে রয়েছে। সংক্রমিত এলাকার কোন লোক যাতে কক্সবাজার প্রবেশ করতে না পারে সে জন্য গত ৮ এপ্রিল থেকে কক্সবাজার জেলায় আগমন ও বর্হিগমনে কঠোর ভাবে বিধিনিষেধ আরোপ করে কক্সবাজারকে লকডাউন ঘোষনা করেছেন জেলা প্রশাসক মো.কামাল হোসনে। আদেশ অমান্যকারীর বিরুদ্ধে কঠোরভাবে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়।

এর পরেও খবর পাওয়া যাচ্ছে সংক্রমিত এলাকা থেকে প্রতিনিয়ত লোকজন বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে ফাকি দিয়ে, রামুতে প্রবেশ করতেছেন। এ্যাম্বুলেন্স,মালবাহী গাড়ি,আবার কেউ বিকল্প রাস্তায় টমটম, অটোরিক্সা ব্যবহার করে, কেউ নৌ পথে রামুতে প্রবেশ করতেছে বলে জানা যায়। এদের দ্রুত টেকানো না গেলে করোনা সংক্রমিতের তালিকায় অচিরেই রামুও অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে। তাই আরো কঠোর নজরদারি বাড়ানোর তাগিদ অনুভব করেছেন রামুবাসী।

চট্টগ্রাম বনফুল কোম্পানিতে চাকরি করছেন রামু কাউয়ারখোপ ইউনিয়নের মনিরঝিল গ্রামের একটি ছেলে আব্দুল কাদের।এই লকডাউনে কিভাবে বাড়ি এসেছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,চট্টগ্রাম থেকে লোকাল বাস করে প্রথমে চকরিয়ায় আসি এর পর অটোরিকশা (সিএনজি) করে ভেঙে ভেঙে বাড়ি পৌছেছি।

রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রণয় চাকমা বলেন, রামু উপজেলাটি মুলত কক্সবাজারের মধ্যবর্তিতে আবস্থান করায় বাইরের মানুষের প্রবেশ ঠেকানো আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়। তবে যখনি বাইর থেকে কারো আসার খবর পাই সাথে সাথে স্থানীয় চেয়ারম্যান সহ তাদের বাড়ি লকডাউন করে দিই। এবং চেয়ারম্যানের মাধ্যমে তাদেরকে পর্যবেক্ষণে রাখি।এই পর্যন্ত ৩০ টির মতো বাড়ি লকডাউন করেছি।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •