আব্দুল আলীম নোবেলঃ
কক্সবাজার বিমান বন্দর সড়কে মকচিতাপাড়া ঘাটে ফ্লিমি কায়দায় আল্লাহ মালিক নামে ফিশিং বোট জিম্মি করে ৬ লাখ টাকার জাল চুরির অভিযোগ স্থানীয় মনিরের বিরুদ্ধে।
কক্সবাজার সদর থানা পুলিশের অভিযানে ফিশিং বোট টি উদ্ধার হলেও এখনো উদ্ধার হয়নি জালসহ চুরি হওয়া মালামালগুলো। এতে চরম অসহায় হয়ে পড়ছে এই ফিশিং বোটের মালিক।
প্রশাসনের নাকে ডগায় শহরের মকচিতাপাড়া ঘাটটি এখন চুরি, ছিনতাই, ইয়াবাসহ নানা অপরাধের আস্থানায় পরিনত হয়েছে। এই এলাকায় এই মনিরের নেতৃত্বে দেদারসে ঘটে আসছে নানা অপকর্ম, এমন অহরহ অভিযোগ তার বিরুদ্ধে।
থানায় লিখিত এজাহার সূত্রে জানাযায়, মহেশখালী হোয়ানক কালিয়া কাটা এলাকার ফয়েজ মাঝি স্ত্রী জুলেহা বেগমের মালিকানাধিন এফবি আল্লাহ মালিক ফিশিং বোটটি মহেশখালী থেকে গত ২৬ মার্চ কক্সবাজার মাঝির ঘাটে বোট মেরামতের জন্য ডকইয়ার্ড দেন।
গত ৭ এপ্রিল কক্সবাজার শহরের মকচিতাপাড়ার বাসিন্দা মনিরের নেতৃত্বে একদল অস্ত্রধারি লোকজন বোটটি ডকইয়ার্ড থেকে নিয়ে আসেন মকচিতাপাড়ায়। বোটটি আত্মসাৎ করতে ব্যর্থ হয়ে অবেশেষে মনির বোটের জালসহ মালামাল চুরি করে গোপন করে রাখে এমন অভিযোগ তার বিরুদ্ধে।
পরে এঘটনায় ফিশিং বোট মালিক কক্সবাজার সদর মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে, এসআই আলীর নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে ফিশিং বোটটি উদ্ধার করেন তিনি। ওই সময় বোটটি উদ্ধার হলেও ৬ লাখ টাকা জালসহ চুরি হওয়া মালামাল গুলো এখনো উদ্ধার হয়নি বলে জানান, ফয়েজ মাঝি।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি (অপারেশন) মাসুম খানান বলেন, একটি ফিশিং বোটের বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। ইতোমধ্যে থানা পুলিশ বোটি উদ্ধার করেছে।
এছাড়া বোট থেকে চুরি হওয়া জালসহ মালামাল গুলো উদ্ধারে পুলিশ কাজ করছে।
তবে পুলিশ ঘটনার সাথে জড়িত কাউকে ছাড় দেবে না।
ফয়েজ মাঝি বলেন, মনিরের নেতৃত্বে তার ফিশিং বোটটি আত্মসাৎ করতে ছেয়েছিল। পরে পুলিশের সহযোগিতায় বোট উদ্ধার হলেও ৬ লাখ টাকার জালসহ মালামাল উদ্ধার হয় নি।
এতে জেলা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকাবাসী জানিয়েছে, ফিশিংবোটটি গুম করতে ছেয়েছিল মনির।
তবে, জাল চুরির সাথে মনির জড়িত কিনা তদন্ত করার দাবী তুলেছে বোট মালিক ও স্থানীয় বাসিন্দারা।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •